

২২ মাস বয়সের শিশু সন্তানকে পানিতে চুবিয়ে রেখে তার মা ও খালাকে ধর্ষণ করেছে দুর্বৃত্তরা। সংঘবদ্ধ এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে খুলনায় বটিয়াঘাটায়।
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের মধ্যে একজন ১৩ বছরের কিশোরী। উপজেলার ফুলতলা গ্রামে শনিবার (১৪ মে) এ ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনা গণমাধ্যমে আসে রোববার রাতে তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর।
ধর্ষণের শিকার দুইজন সম্পর্কে খালাতো বোন। তাদের মধ্যে ১৩ বছরের কিশোরী স্কুলছাত্রী ও আরেকজন এক সন্তানের জননী। ২৪ বছর বয়সী নারীর সন্তানের বয়স ১ বছর ১০ মাস।
ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর মা জানান, শনিবার বিকালে তিনি তার বোনের বাড়ি ডুমুরিয়া যান। তার স্বামী চিকিৎসার জন্য বাগেরহাটে গিয়েছিলেন। এ সময় দুই বোন বাড়িতে একা ছিলেন। মধ্যরাতে হঠাৎ সাতজন যুবক তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে দুই বোনের হাত ও মুখ বেধে তাদের ধর্ষণ করে। এ সময় কয়েকজন ঘরে ও বাকিরা ঘরের বাহিরে পাহারায় ছিল।
ধর্ষণের সময় ২২ মাস বয়সী সন্তানের গলায় ছুরি ধরে রাখা হয়েছিল বলেও জানান তিনি। ধর্ষণের পরে সন্তানকে পানিতে চুবিয়ে রাখে ধর্ষকরা। শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে খুলনা শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্কুলছাত্রীর মা জানান, ভোরে তার কিশোরী মেয়ে ফোনে তাকে ঘটনাটি জানান। পরে বাড়িতে ফিরলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন তিনি।
এ বিষয়ে বটিয়াঘাটা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাহিদুর রহমান বলেন, হাসপাতালে গিয়ে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।



