হামুনে অচেনা কক্সবাজার: ২৪ ঘণ্টায়ও সচল হয়নি বিদ্যুৎ-মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা
হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া


ঘূর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের অচেনা রূপ দেখলো বাসিন্দারা। আঘাত হানার ২৪ ঘণ্টা পেরুলেও স্বাভাবিক হয়নি মানুষের জীবনব্যবস্থা। জেলার মহেশখালী, কুতুবদিয়ায়সহ নানা জায়গায় এখনও সচল হয়নি মোবাইল নেটওয়ার্ক। আর গতকাল মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) থেকে জেলার নানা জায়গা এখনও বিদ্যুৎহীন।মোবাইল নেটওয়ার্ক সচল না হওয়ায় হামুনের আঘাতে ক্ষয়ক্ষতির স্পষ্ট চিত্র এখনও উঠে আসেনি। সদর, মহেশখালী, চকরিয়া, পেকুয়া, কুতুবদিয়ায় বেশ তাণ্ডব চালিয়েছে এই ঘূর্ণিঝড়। ঝড়ো বাতাসে এসব এলাকায় ভেঙে পড়ে গাছসহ নানা স্থাপনা। বিশেষ করে কাচা-পাকা ও টিনশেড বাড়ি ভেঙে পড়ে ঝড়ো বাতাসে। মঙ্গলবার রাতেই খবর পাওয়া যায়, দেয়াল ও গাছচাপায় প্রাণ গেছে ৩ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত শতাধিক। নিহতরা হলেন- কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকার আবদুল খালেক (৪০), মহেশখালী এলাকার হারাধন দে (৪৫) ও চকরিয়া বদরখালী এলাকার আসকর আলী (৪৭)। অতি প্রবল এই ঘূর্ণিঝড় শক্তি হারিয়ে মঙ্গলবার রাত ৭টার পরই এর অগ্রভাগ কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানে। কুতুবদিয়ার পাশ দিয়ে এটি অতিক্রম করা শুরু করে। মধ্যরাতে হামুন অতিক্রম করে চলে গেলে শঙ্কা কেটে যায়। কিন্তু তার আগেই কয়েক ঘণ্টা ধরে চালানো তাণ্ডবে বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে পড়ায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়নি।আর সড়কে গাছ পড়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে রাতে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। ক্ষয়ক্ষতি আর জীবনব্যবস্থা স্বাভাবিক হতে সময় নেয়ায় কক্সবাজার শহরের পাশাপাশি উপজেলাগুলোর বাসিন্দা চরম দুর্ভোগে।



