

ঢাকায় বিএনপির সমাবেশে সংঘর্ষে নিহত পুলিশ সদস্য আমিরুল ইসলামের দাফন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুরে পিএস উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে সমাহিত করা হয়।নিহত আমিরুল ইসলাম মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার সেকেন্দার আলী মোল্লার ছেলে। তিনি ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইনভেস্টিগেশন-৩’এ কর্মরত ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩৩ বছর।রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা থেকে দৌলতপুরে আনা হয় আমিরুল ইসলামের মরদেহ। এ সময় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে পুলিশের পক্ষ থেকে ‘গার্ড অব অনার’ দেয়া হয়। পরে শ্রদ্ধা জানান সংসদ সদস্য নাঈমুর রহমান দুর্জয়, জেলা প্রশাসক রেহেনা আক্তার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মহীউদ্দীন প্রমুখ।গতকাল শনিবার বিএনপির মহাসমাবেশ চলাকালে কাকরাইল এলাকায় পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে সেই সংঘর্ষের জেরে বিএনপির মহাসমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়। দফায় দফায় চলতে থাকে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ।এই সংঘর্ষে আহত হওয়ার পর তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।এই পুলিশ সদস্যের নিহতের ঘটনায় ইতোমধ্যে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পল্টন মডেল থানায় এ মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছে।


