

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) ‘এমভি বাংলার সমৃদ্ধি’ নামের জাহাজটি ২৯ জন নাবিকসহ অলভিয়া বন্দরের জলসীমায় আটকা থাকা অবস্থায় রকেট হামলার শিকার হয়। হামলায় ২৮ জন প্রাণে বাঁচলেও হাসিদুর রহমান নামের এক নাবিক নিহত হন এবং জাহাজের ক্ষতি হয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসিদুর রহমানকে নিহত এবং জাহাজের ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন বীমাকারীর কাছে থেকে ২২.৪ মিলিয়ন ডলার দাবি করেছে। ইউক্রেন সংকটে বীমা কোম্পানির কাছে করা প্রথম সর্ব্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে বিএসসি।
সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, যুদ্ধ সংক্রান্ত ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য বীমা করা হয়েছিল ঢাকা ভিত্তিক ‘সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের’ মাধ্যমে। সেটা আবার লন্ডন ব্রোকার টাইজারের লয়েডের মাধ্যমে পুনঃবীমা করা হয়েছে। সাধারণ বীমার এক্সপোজার ছিল ১০ শতাংশ এবং টাইজার বাকি ৯০ শতাংশ পূরণ করেছে।
সম্প্রতি আরও চারটি জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর দিয়েছে রয়টার্স, যার মধ্যে একটি ইতোমধ্যেই ডুবে গেছে।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই অঞ্চলে ভ্রমণের জন্য বীমা প্রিমিয়াম বেড়েছে ১০০ শতাংশেরও বেশি। বীমাকারীরাও এসব দাবি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণে রেখেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে খরচ আরও বৃদ্ধি পাবে।
গত সপ্তাহে জাতিসংঘের শিপিং এজেন্সি কৃষ্ণ সাগর এবং আজভ সাগরে আটকে থাকা বাণিজ্যিক জাহাজ এবং ক্রুদের জন্য নিরাপদ করিডোর খোলার ঘোষণা দিয়েছিল। তবে শিপিং ইন্ডাস্ট্রি ধারণা করছে এই অগ্রগতি কিছুটা ধীরগতিতে হবে।
সম্প্রতি আরও চারটি জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর দিয়েছে রয়টার্স, যার মধ্যে একটি ইতোমধ্যেই ডুবে গেছে।



