

সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর চালানো সহিংসতা গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র। দায়িত্ব গ্রহণের ও বিষয়পর্যালোচনা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার ১৪ মাস পরে এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে জো বাইডেন প্রশাসন।
এবারই প্রথম মিয়ারমারে রোহিঙ্গাদের ওপর দেশটির সেনাবাহিনীর চালানো সহিংসতাকে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ।
সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের হোলোকাস্ট মেমোরিয়াল মিউজিয়ামে এ ঘোষণা দিতে পারেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন। খবর রয়টার্স
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিপীড়নের শিকার হয়ে অন্তত ১১ লাখ রোহিঙ্গা এখন বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। মিয়ানমারে সামরিক দমন-পীড়নের ফলে ২০১৭ সালে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক রোহিঙ্গা প্রবেশ করে।
রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে অবস্থিত জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে মামলা চলছে। দ্য হেগের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) ২০১৯ সালে মামলাটির প্রাথমিক শুনানি শুরু হয়। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের নভেম্বরে আইসিজেতে মামলাটি করে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া।
বাইডেন প্রশাসনের আগে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপরও এ ঘোষণা দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেছিল বিশ্ব মানবাধিকার সংগঠনগুলো।
যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপকে অর্থবহ বলে স্বাগত জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন রিফিউজিস ইন্টারন্যাশনাল।



