পিকে হালদারের বিষয়ে ভারত অফিসিয়াল তথ্য দেয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া


পিকে হালদারকে গ্রেফতারের বিষয়ে ভারত থেকে অফিসিয়ালি কোন তথ্য আসেনি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
রোববার (১৫ মে) ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, পিকে হালদার অনেকগুলো মামলার আসামি। আমরা তাকে ধরতে ইন্টারপোলের সহযোগিতা চেয়েছিলাম। সে গ্রেফতার হয়েছে। তবে সে বিষয়ে ভারত থেকে এখনও কোন অফিসিয়াল কাগজ আসেনি।
পিকে হালদারের বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলো শেষ করতে ভারতের কাছ থেকে তাকে ফেরত পাওয়া যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এদিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদারের (পিকে হালদার) তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে দেশটির আদালত। প্রায় তিন হাজার ৬০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ মাথায় নিয়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। শনিবার (১৪ মে) বিকালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি আদালত পি কে হালদারের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে সকালে ওই প্রদেশের অশোক নগরের একটি বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে দেশটির অর্থ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনী এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইডি)। তারপর তাকে আদালতে তুলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করে সংস্থাটি। পরে আদালত আগামী ১৭ মে পর্যন্ত তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
ভারতীয় গণমাধ্যম দৈনিক সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়, পি কে হালদারের সঙ্গে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে ইডি। তাদের মধ্যে এক নারীও রয়েছে। তাকে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত কারাগারে আটকে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বাকি চারজনকেও তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
পি কে হালদারের সঙ্গে গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে তার স্ত্রী ও ভাই রয়েছেন বলে দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।
শিবশংকর হালদার নামে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অশোক নগরের একটি বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন পিকে হালদার। তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণের সম্পত্তি ও অর্থের নথি জব্দ করেছে ইডি।
এর আগে শুক্রবার (১৩ মে) ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর ২৪ পরগনায় পি কে হালদারের বিপুল পরিমাণ অর্থের সন্ধান পায় ইডি। পি কে হালদারের সহযোগী সুকুমার মৃধার অফিসে তল্লাশি চালিয়ে এসব অর্থের সন্ধান পাওয়া যায়।



