

ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন ও নাশকতার ঘটনায় আশুলিয়া থানায় বিএনপির ৬২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা ও সাভার থানায় ৪৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। একটি মামলার বাদী ক্ষতিগ্রস্ত বাসচালক ও বাকি দুটিতে পুলিশ। আলাদা তিন মামলায় ১০৫ জনসহ অজ্ঞাত আরো বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়।রবিবার (৩০ জুলাই) সকালে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা ও আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান।এজাহার সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে ঢাকা-আরচিা মহাসড়কের আশুলিয়ার নিরিবিলি এলাকায় বিএনপির নেতকর্মীরা অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে বিকাশ পরিবহনের একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ ঘটনায় বাসচালক আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় আসামি করা হয়েছে ঢাকা জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আইয়ুব খান, আশুলিয়া থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি রকি দেওয়ান, ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান মোহন, ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের আহ্বায়ক তমিজ উদ্দিন, ঢাকা জেলার বিএনপির আহ্বায়ক মোকলেছুর রহমান খান ইলিয়াস শাহীসহ ৩২ জনকে।এ ছাড়া পৃথক ঘটনায় আশুলিয়ার বড় রাঙ্গামাটিয়ার রসায়ন মোড়ে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি পালনের সময় একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা পুড়িয়ে দেওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ ও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন আশুলিয়া থানার এসআই ফরহাদ বিন করিম।এ মামলায় আসামি করা হয়েছে ৩০ জনকে। এখানে স্থানীয় বিএনপি নেতা জাহিদুর রহমান দেওয়ান, আনোয়ার সরকার, মোক্তার হোসেন মন্ডল, দেলোয়ার হোসেন সরকার, ফজলুল হক, আমিনুল ইসলাম, আরজু দেওয়ান, মান্নান দেওয়ান ও খোরশেদসহ অন্যান্যরা। এ ছাড়া সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়েকর আমিনবাজারে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বিএনপির ৪৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, ককটেল বিস্ফোরণ, নাশকতার ঘটনায় ৪৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত আছে। আশুলিয়া থানার ওসি কামরুজ্জামান বলেন, নাশকতা ও গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় দুই থানায় দুটি মামলায় দায়ের করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।


