

আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপির প্রিয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দেয়া মামলায় আদালত তারেক রহমানকে শাস্তি দিয়েছে; এ কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বুধবার (২ আগস্ট) বিকেলে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিভাগীয় মহাসমাবেশে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা।এর আগে, এদিন বিকেলেই সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ৯ বছর কারাদণ্ড দেন আদালত। এর মধ্যে ২৬/২ ধারায় ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২৭/১ ধারায় ৬ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ৩ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে।আর তারেক রহমানের অপরাধে তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান সহায়তা করেছেন, যা প্রমাণিত বলে মন্তব্য করেন আদালত। জোবায়দা রহমানকেও ৩ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান।এই রায়ের পর আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, বিদেশে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জোবায়দা রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা হবে।তিনি আরও বলেন, দুদকের মামলায় তারেক রহমান ও জোবায়দা রহমানের রায়ে প্রমাণিত হলো বাংলাদেশে আইনের শাসন আছে। দুর্নীতির দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছেলের এ ধরনের সাজা হওয়ার অর্থ হলো রাষ্ট্র কাউকেই ছাড় দেয় না।বুধবার বিকেলে মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আদালতের নির্দেশনা পেলেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফেরাতে সরকার উদ্যোগ নেবে। আদালতের রায়ের নির্দেশনা মেনে সরকার কাজ করবে।সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের রংপুরের মহাসমাবেশে বলেছেন, তারেক রহমানকে দুই মামলায় ৯ বছর, আর তার স্ত্রীকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বিএনপি নেতা তারেক রহমান কখনও নির্বাচন করতে পারবে না।



