

নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী কাজ করে যাওয়ায় দেশের সবক্ষেত্রেই উন্নতি হচ্ছে। ডিজিটাল থেকে আমরা এখন স্মার্ট বাংলাদেশের পথে। বাংলাদেশের মানুষ অসাধ্য সাধন করতে পারে। তাই যতোই চক্রান্ত হোক, এ দেশের মানুষকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না।বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) সকালে স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্সের প্রথম সভায় এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আরও বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ গ্রামে পৌঁছাতে হবে। পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে সভায় তাগিদ দেন তিনি।ডিজিটাল বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরিত করতে সরকার গঠন করেছে স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স। ছয় মন্ত্রীসহ ত্রিশ সদস্যের এই টাস্কফোর্স আধুনিক উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা প্রণয়নে কাজ করবে। যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সরকার প্রধান বলেন, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সেটি পূরণ করেছি। এবার সরকারের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ‘স্মার্ট বাংলাদেশে’ রূপান্তর করা। স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট সোসাইটি, স্মার্ট ইকোনমি ও স্মার্ট গভর্নমেন্ট- এ চারটি মূল ভিত্তিকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সরকার একটি সাশ্রয়ী, টেকসই, বুদ্ধিদীপ্ত, জ্ঞানভিত্তিক, উদ্ভাবনী স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, একসময় এই ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা নিয়ে অনেকেই সমালোচনা করেছিল, ব্যঙ্গ করতো। আমরা তাদের কথায় কান দেইনি। এগিয়ে গেছি আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে। ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে যারা সমালোচনা করেছিল তারাই এখন সবচেয়ে বেশি সুবিধা নিচ্ছে।


