

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বাংলাদেশের কোটি কোটি সাধারণ মানুষ যেমন আওয়ামী অপশক্তির ধারাবাহিক নিপীড়নের শিকার, তেমনি নির্যাতনের শিকার হতভাগ্য রোহিঙ্গারাও। বাংলাদেশের নাগরিকদের মতোই তারাও শিকার সীমাহীন দুর্নীতি, অনিয়ম ও জুলুমের। আমরা জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোকে আহ্বান জানাচ্ছি, জোরদার ও কার্যকরী ভূমিকা অব্যাহত রেখে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার জন্য।মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা দমন-পীড়নের ষষ্ঠ বছর উপলক্ষ্যে শুক্রবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিএনপি নয়াপল্টন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।রুহুল কবির রিজভী বলেন, দীর্ঘ ছয় বছর পার হলেও রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সরকার কিছু করতে পারেনি। সরকারের ধারাবাহিক কূটনৈতিক ব্যর্থতা ও সদিচ্ছার অভাবে রোহিঙ্গারা আমাদের দেশে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।রিজভী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার উভয় বিএনপি সরকারের সময়েই মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে গ্রহণ করা হয়। শুধু তাই নয়, অচলাবস্থা কাটিয়ে নিশ্চিত করা হয় নিজ দেশে তাদের সময়োপযোগী প্রত্যাবাসন।বিএনপির প্রতিটি সরকারের সময় বাংলাদেশে শুধু রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয়ই দেওয়া হয়নি, বহির্বিশ্বের অনুদানের ওপর নির্ভর না করে রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে নেওয়া হয় সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, গড়ে তোলা হয় পরিবার ও পরিবেশবান্ধব জীবনব্যবস্থা।তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, জাপান ও গণতন্ত্রের পক্ষের প্রতিটি বৈশ্বিক শক্তি যে জোরালো ভূমিকা রেখেছে বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি তার জন্য কৃতজ্ঞ।



