

ছাত্র সমাবেশ উপলক্ষ্যে নেতাকর্মীদের প্রতি ১০টি দিক-নির্দেশনা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আগামীকাল শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) এই ছাত্র সমাবেশ হবে। ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে দিক-নির্দেশনার কথা বলা হয়। সাংগঠনিক এসব নির্দেশনা নেতাকর্মীদের প্রতি জরুরি ও অবশ্য পালনীয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।নির্দেশনাগুলো হলো:১. সর্বাবস্থায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। শৃঙ্খলার ব্যত্যয় ঘটে এমন যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হচ্ছে।২. যেকোনো বিশৃঙ্খলার সাথে জড়িত ব্যক্তি অথবা ইউনিটের প্রতি তাৎক্ষণিক, চূড়ান্ত ও স্থায়ী সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।৩. সমাবেশে প্রবেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকদের নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।৪. সমাবেশ স্থলে কোনোভাবেই ব্যানার নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না।৫. স্বেচ্ছাসেবকদের সরবরাহকৃত উপকরণ ব্যতীত পতাকা, ফেস্টুন নিয়ে সমাবেশে প্রবেশ করা যাবে না।৬. নির্ধারিত সময়ে গেট খুললে দ্রুততম সময়ে শৃঙ্খলার সাথে প্রবেশ করতে হবে।৭. সমাবেশস্থলে একাধিকবার প্রবেশ ও বাহির হওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।৮. শারীরিক যেকোনো সমস্যার ক্ষেত্রে মেডিকেল ক্যাম্পে যোগাযোগ করতে হবে।৯. সমাবেশ স্থল ও এর আশেপাশের এলাকার পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতে সতর্ক থাকতে হবে।১০. জনদুর্ভোগ পরিহার করতে হবে এবং অযথা যানজট সৃষ্টি না করার ক্ষেত্রে সচেতন থাকতে হবে।ছাত্র সমাবেশে বিশৃঙ্খলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা ইউনিটের প্রতি তাৎক্ষণিক, চূড়ান্ত ও স্থায়ী সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে ছাত্রলীগ। উল্লেখ্য, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই সমাবেশ আয়োজন করছে ছাত্রলীগ।



