

এবারের ইশতেহারে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে ১১টি বিষয়। এর মধ্যে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন, দ্রব্যমূল্য ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা, কর্মোপযোগী শিক্ষা ও যুবকদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থা, যান্ত্রিকীকরণ ও প্রক্রিয়াযাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হবে। দৃশ্যমান অবকাঠামো বৃদ্ধি করে শিল্পের প্রসার ঘটানোর দিকে মনোযোগ দেবে সরকার। ব্যাংকসহ আর্থিক খাতে দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।এছাড়াও নিম্ন আয়ের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সুলভ, সর্বজনীন পেনশন, সর্বস্তরে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুরক্ষা বৃদ্ধি করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকারিতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে ইশতেহারে। গুরুত্ব পাবে সাম্প্রদায়িকতা, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ রোধ।আওয়ামী লীগের এবারের নির্বাচনী ইশতেহারে গুরুত্ব পেয়েছে কৃষি, অর্থনৈতিক ও শিল্প উৎপাদন খাত, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতের বিষয়টি। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে, প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্যমাত্রা ইশতেহারে স্থান পেয়েছে। ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণকে প্রাধান্য দিয়ে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার-২০২৪ ঘোষণা করলেন দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁও এ নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার কার্যক্রম শুরু হয়।২০১৮ সালে দলটির ইশতেহারে স্লোগান ছিলো, ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’।



