

প্রধানমন্ত্রী পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, জিয়া পরিবারের সদস্যরা সব সময় ভুল তথ্য এবং প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে তা হজম করেছে।
সোমবার (২৮ মার্চ) রাতে ফেসবুকে পোস্টের মাধ্যমে সে সম্পর্কে নানাদিক তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার আইসিটি উপদেষ্টা জয়।
জয় তার নিজস্ব ফেইসবুক পেইজে লিখেন, জিয়া পরিবারের সদস্যরা এতিমদের অর্থ আত্মসাৎ করে নিজেদের পকেট ভারী করেছে। সাধারণ মানুষজন শুধু শুনেই আসছেন যে- জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা, অর্থাৎ এতিমদের টাকা মেরে দেয়ার মামলা, এই নিকৃষ্ট ঘটনাটি আসলে কীভাবে ঘটানো হয়েছিল, জনসাধারণের জ্ঞাতার্থে তার কিছু তথ্য সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।
সজীব ওয়াজেদ জয় সেই তথ্যটি প্রকাশ করে বলেন, ‘১৯৯১ এর পরের কথা, সৌদি আরবের একটি ব্যাংক থেকে বাংলাদেশের অসহায় দুস্থ মানুষদের কল্যাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সরকারি তহবিলে ৪ কোটি ৪৩ লাখ ৮১ হাজার টাকা দেয়া হয়। কিন্তু তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আনোয়িত অর্থগুলো সরকারি অর্থ নিজেদের একাউন্টে নিয়ে নেয়। অথচ দেশে তখনও এতিম ও দুস্থদের জন্য অনেক জনমুখী দাতব্য সংস্থা বিদ্যমান ছিল। সেখানে একটা পয়সাও না দিয়ে নাম-কা-ওয়াস্তে চালু করা সাইনবোর্ড সর্বস্ব জিয়া অরফানেজ ফান্ডে অবৈধভাবে সেই টাকা স্থানান্তর করেন খালেদা জিয়া। যখন সৌদি সরকার টাকা দেয় তখন জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের কোনো অস্তিত্বই ছিল না তখন।’
দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে সরকারি টাকার হিসাব না নিয়ে, কোনো রকমের অডিট প্রক্রিয়াকে পাশ কাটিয়ে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তার স্বজনদেরকে এতিমদের জন্য বরাদ্দ কোটি কোটি টাকার অর্থ ভোগ করার সুযোগ করে দেন। ফলে সরকারের কোনো সংস্থাই এই অনৈতিক কাজ ও দুর্নীতি নিয়ে কথা বলার সাহস পায়নি। খালেদা জিয়া একজন প্রধানমন্ত্রী হয়েও নিজের ছেলে তারেকের মাধ্যমে এতিমদের জন্য বরাদ্দ দানের টাকা যেভাবে আত্মসাৎ করান, এ রকম নিকৃষ্ট ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।



