
হাওর গ্রামবাংলার মানুষের কাছে এক অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি। হাওর বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিস্তীর্ণ জলরাশির এক সীমাহীন প্রান্তরের ছবি।
বর্ষায় পানিতে কানায় কানায় ভরে ওঠে হাওর। কান পাতলেই শোনা যায় বিশাল ঢেউয়ের গর্জন। বিশাল এ ঢেউ প্রকৃতির সৌন্দর্য হলেও হাওর এলাকার দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী মানুষের জন্য তা সবসময় কাল হয়ে দাঁড়ায়। বেশিরভাগ সময় বিশাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে মানুষের বসতভিটা ভেঙে জলে বিলীন হয়ে যায়।
চারদিকে ঢেউয়ের তালে বাড়তে থাকে মানুষের হাহাকার আর তীব্র আর্তনাদ। দিন যতই যায়, হাওরের মানুষের সংকট ততই তীব্রতর হয়।
বাঁধ ভেঙ্গে পানি ঢুকে পড়ায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের হাতে সরকারের পক্ষ থেকে এবার সহায়তা পৌঁছে যাবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।
শনিবার (০৯ এপ্রিল) দুপুরে সুনামগঞ্জের অতি ঝুঁকিপূর্ণ আসানমারা বেড়িবাঁধ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, কৃষকরা কি পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তা জেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগকে খুঁজে বের করতে সহায়তা প্রদান করা হবে। এতে যেন কোন অনিয়ম না হয় সে বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে।
তিনি আরও জানান, হাওর অঞ্চলগুলোতে স্থায়ী ফসল রক্ষা বাধ নির্মাণ করা সম্ভব নয়। প্রতিবছরই বাঁধে কিছু কিছু কাজ এগিয়ে নিতে হবে।
পরিকল্পনামন্ত্রী আরও আশঙ্ক্ষা প্রকাশ করে বলেন, আগামী দুদিন বৃষ্টিপাত হতে পারে এবং সাধারণ কৃষকসহ সকলকে নজর রাখতে হবে। সেই সাথে ধান পাকার সাথে সাথে ধান কেটে ঘরে তুলতে তাদেরকে সহায়তা করা হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিমল চন্দ্র সোমসহ প্রমুখ।



