ধর্ম


সৌদি পৌঁছেছেন ৯২ হাজার হজযাত্রী, আরো একজনের মৃত্যু


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:১৮ জুন ২০২৩, ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার

সৌদি পৌঁছেছেন ৯২ হাজার হজযাত্রী, আরো একজনের মৃত্যু

পবিত্র হজ পালনে চলতি বছর দেশ থেকে এখন পর্যন্ত (১৮ জুন রাত ১টা ৫৯ মিনিট) ৯২ হাজার ৫৫৩ জন হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। আর এখন পর্যন্ত ২২ জন হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯ হাজার ৭৯৮ ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রী ৮২ হাজার ৭৫৫ জন। এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২১ হাজার ১২১টি ভিসা ইস্যু করা হয়েছে।

হজ সম্পর্কিত সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এয়ারলাইন্স, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরব সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে হেল্পডেস্ক।

এদিকে হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত মারা যাওয়া ২২ জন হজযাত্রীর মধ্যে ১৯ জন পুরুষ ও তিন জন নারী। এদের মধ্যে মক্কায় মারা গেছেন ১৯ জন, মদিনায় ৩ জন। সবশেষ মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম আবদুল কুদ্দুস খান (৬৪) ।

সৌদি আরবে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৭ জুন হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। হজ কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী হজ এজেন্সির সংখ্যা ৬০৩টি। হজ ফ্লাইট শুরু হয়েছে ২১ মে। শেষ হজ ফ্লাইট ২২ জুন। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ২ জুলাই আর শেষ ফিরতি ফ্লাইট ২ আগস্ট।


জনপ্রিয়


ধর্ম থেকে আরও পড়ুন

রোজা রেখে যে ১০টি কাজ আমাদের বর্জন করা উচিত

রমজান মাস কেবল পানাহার থেকে বিরত থাকার নয়; এটি আত্মশুদ্ধি, সংযম এবং নৈতিক শিক্ষার মাস। ইসলামি চিন্তাবিদরা বলেন, রোজার মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহভীতি (তাকওয়া) অর্জন করা, যা কোরআনেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে—

মাহে রমজান: শুধু রোজা নয়, এটি চরিত্র গঠনের মাস- আমরা কি চরিত্রও শুদ্ধ করছি?

রমজান কেবল ক্ষুধা ও তৃষ্ণা বর্জনের মাস নয়। এটি আত্মসংযম, ধৈর্য, সহানুভূতি এবং সামাজিক দায়বোধ বৃদ্ধির মাস। ইসলামের শিক্ষায় রোজা কেবল খাদ্য-বর্জনের জন্য নয়, বরং মানুষের চরিত্র গঠনের এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

ইতিহাসে দ্বিতীয় রমজান: শাকহাবের প্রান্তরে মঙ্গোলীয় ঝঞ্ঝা প্রতিরোধ

৯১ হিজরির ১ রমজানে আন্দালুস বিজয়ের যে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল, তার প্রায় ছয় শতক পর ৭০২ হিজরির ২ রমজানে সিরিয়ার মাটিতে রচিত হয় আরেক মহাকাব্যিক অধ্যায়। এদিন ‘শাকহাবের যুদ্ধ’ (১৩০৩ খ্রি.) কেবল একটি সামরিক সংঘর্ষ ছিল না; এটি ছিল মুসলিম সভ্যতার টিকে থাকার প্রশ্নে এক চূড়ান্ত লড়াই।

ইফতার সামনে নিয়ে যে দোয়াগুলো পড়বেন

সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতার রোজাদারের জন্য এক বিশেষ আনন্দের মুহূর্ত। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, “রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ একটি যখন সে ইফতার করে, আরেকটি যখন সে তার প্রভুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে।” (তিরমিজি, হাদিস: ৭৬৬)