ধর্ম


কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়: আনাছকে ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:৩১ আগস্ট ২০২৪, ১২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার

কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়: আনাছকে ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা
মক্কায় অনুষ্ঠিত ৪৪তম কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার ৩০ পারা গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া হাফেজ আনাছ বিন আতিক্বকে সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সম্প্রতি বিশ্বজয় করে দেশে ফিরে আসার পর শুক্রবার (৩০ আগস্ট) বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে তাকে এই সম্মাননা জানানো হয়।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, "হাফেজ আনাছ মুসলিম উম্মাহর সম্মান বৃদ্ধি করেছেন। তার এই সাফল্য বাংলাদেশের কোরআন প্রেমীদের জন্য একটি বিশাল অনুপ্রেরণা। ভবিষ্যতে আনাছ কোরআনের আলো ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।"
শিবির সভাপতি আরও জানান, কোরআনের শিক্ষা ও তেলাওয়াতের প্রতি অনুরাগ বাড়াতে এবং কোরআনের মর্মবাণী ছড়িয়ে দিতে আনাছের অর্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ডা. সাদেক আব্দুল্লাহ, কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ ও ফাউন্ডেশন সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, কেন্দ্রীয় আইন সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার সভাপতি জাফর সাদিক এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, সৌদি আরবের ইসলাম ও দাওয়াহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি হাফেজ আনাছ বিন আতিক্ব ৩০ পারা গ্রুপে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন। একই প্রতিযোগিতায় ৪র্থ গ্রুপে ১ম স্থান পেয়েছেন দেশের মারকাযু ফয়জিল কোরআর আল ইসলামি ঢাকার কিতাব বিভাগের ছাত্র হাফেজ মুয়াজ মাহমুদ।
হাফেজ মুয়াজ মাহমুদকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও নগদ ৫০ লাখ টাকা এবং হাফেজ আনাছ বিন আতিক্বকে প্রায় ৬৫ লাখ টাকা পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। এই সাফল্য বাংলাদেশের কোরআন শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

জনপ্রিয়


ধর্ম থেকে আরও পড়ুন

ঈদের দিন কী করবেন, কী এড়িয়ে চলবেন

মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা আনন্দ, সম্প্রীতি ও আত্মশুদ্ধির এক অনন্য উপলক্ষ। তবে এই আনন্দঘন দিনে ইসলামের নির্ধারিত কিছু করণীয় ও বর্জনীয় বিষয় রয়েছে, যা মেনে চলা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

জেনে নিন ফিতরা ও যাকাত কাদের দেওয়া উচিত, কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

পবিত্র মাহে রমজানের শেষ সময়ে এসে মুসলমানদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হয়ে দাঁড়ায় ফিতরা ও যাকাত আদায় করা। এই দুটি ইবাদত শুধু ব্যক্তিগত সম্পদ পরিশুদ্ধ করার মাধ্যমই নয়, বরং সমাজে অর্থনৈতিক ভারসাম্য ও মানবিক সহমর্মিতা প্রতিষ্ঠার এক কার্যকর ব্যবস্থা।

২০৩০ সালে মুসলিমরা পালন করবেন ৩৬টি রোজা, ২০৩৩ সালে সম্ভব তিনটি ঈদ

পবিত্র রমজান মাসে সাধারণত মুসলিমরা ২৯ বা ৩০ দিন রোজা রাখেন। তবে বিশেষ বছরগুলিতে চন্দ্র ও গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির পার্থক্যের কারণে রোজার সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। ২০৩০ সালে এমন ঘটনা ঘটবে, যেহেতু সেই বছরে দুইবার রমজান মাস পড়বে।

৬ মার্চ ২০২৬: আজকের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী শুক্রবার (৬ মার্চ ২০২৬) ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সেহরি ও ইফতারের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।