
এমপলিকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে সিরি-আ’র তালিকার শীর্ষে ইন্টার মিলান। সেন-সিরোতে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকার পরও ৪-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেছে কোচ সিমিওনে ইনযাগির ইন্টার মিলান ।
খেলার শুরু থেকেই ডিফেন্সে নড়বড়ে ছিল ইন্টার মিলান। তাদের এই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে ৫ম মিনিটে এগিয়ে যায় এমপলি। পোলিশ মিডফিল্ডার যুরকোসকির ক্রস ইন্টারের দুই ডিফেন্ডারের মাঝে থাকা এমপলি স্ট্রাইকার পিনামন্টিকে গোল করার সহজ সুযোগ পায়। সুযোগ পেয়ে তা হাত ছাড়া করেননি এই ইতালিয়ান তরুণ।
পিছিয়ে থাকা ইন্টার সমতায় আসার চেষ্টা করলেও এমপলির কাউন্টার আক্রমণের শিকার হচ্ছিল তারা। ২২তম মিনিটে ইন্টার পেনাল্টি জিতলেও ভিএআর সেই পেনাল্টিকে বাতিল করে। সেই শোক কাটিয়ে উঠার আগেই মিডফিল্ডার এসলানির গোলে গোল ব্যবধান বাড়ায় এম্পলি। ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা ইন্টার এর পর শুরু করে আক্রমণের সুনামি। একের পর এক আক্রমণে কোণঠাসায় পরে যায় এমপলি।
৪০ তম মিনিটে টানা আক্রমণের ফল পায় ইন্টার মিলান। ইন্টার মিডফিল্ডার ডিমারকোর ক্রস আটকাতে গিয়ে নিজ জালে বল প্রবেশ করান ডিফেন্ডার রোমাগ্নলি। গোল ব্যবধান কমিয়ে নিজেদের আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় ইন্টার মিলান। এর পর প্রথম হাফের শেষ মিনিটে বেরেল্লা ও চালহানলুর বিল্ডাপে গোল করে আরজেন্টাইন স্ট্রাইকার মারতিনেজ। মারতিনেজের গোলে সমতায় ফিরে প্রথম হাফ শেষ করে ইন্টার।
দ্বিতীয় হাফে আক্রমণ চালাতে থাকে ইন্টার। এমপলি কাউন্টার আক্রমণের চেষ্টা করলেও কাউন্টার আক্রমণের বদলে কাউন্টার আক্রমণ করেছে ইন্টার। ৬৪তম মিনিটে বেরেল্লার চিপ ক্রস আটকায় ডিফেন্ডার ফিয়ামোজি। তবে প্রতিরক্ষার চেষ্টা বিফলে গেলে বল পায় মারতিনেজ, বল পেয়ে মুহূর্তের মধ্যে গোল করেন তিনি। মারতিনেজের গোলে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইন্টার। এগিয়ে থাকার পরও ইন্টারের আক্রমণ থামেনি। ম্যাচের শেষ মিনিটে ভিদালের পাসে গোল করে এলেক্সিস সানচেজ। ৪-২ ব্যবধানে জয় পেয়ে তালিকার শীর্ষে ফিরে এসেছে ইন্টার।


