

হ্যামিল্টনে নারী বিশ্বকাপে ভারতকে হারাতে হলে কঠিন লক্ষ্যই পাড়ি দিতে হবে বাংলাদেশের মেয়েদের।
বাংলাদেশের বিপক্ষে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। নির্ধারিত ৫০ ওভার ব্যাটিং করে ২২৯ রান করেছে তারা। অর্থাৎ জিততে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ২৩০ রান।
উদ্বোধনী জুটিতে ৭৪ রান যোগ করেন ভারতের দুই ওপেনার। মারমুখী শেফালি ভার্মা জাহানারা আলমের এক ওভারেই হাঁকান তিন চার। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ যখন ধীরে ধীরে ফসকে যাচ্ছে তখনই বাংলাদেশকে খেলায় ফেরান নাহিদা আক্তার।
তার শট বল পুল করতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ক্যাচ তুলে দেন স্মৃতি মান্দানা। ৩ চারে ৫১ বলে ৩০ রান করেন তিনি। পরের ওভারের তৃতীয় বলেই ভয়ঙ্কর হতে থাকা শেফালিকে ফেরান রিতু মণি।
এগিয়ে এসে তার বল খেলতে চেয়েছিলেন তিনি। ৪২ বলে ৪২ রান করেন শেফালি। এরপর মিতালি রাজকে একেবারেই শূন্য রানেই সাজঘরের পথ দেখান রিতু।
ইয়াশকিতা ভাটিয়ার সঙ্গে এরপর ইনিংস মেরামতের কাজ শুরু করেছিলেন হারমানপ্রিত কার। কিন্তু তাকে দুর্দান্তভাবে রান আউট করেন ফারজানা হক। ৩৩ বলে ১৪ রান করেন তিনি। তার সঙ্গী ভাটিয়া অবশ্য তুলে নেন ফিফটি।
৮০ বলে ৫০ রান করা এই ব্যাটারকেও ফেরান রিতু। নাহিদা আক্তারের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। মাঝে ঝিমিয়ে পড়া ভারতের ইনিংসকে শেষদিকে আবারও জাগিয়ে তুলেন পূজা বস্ত্রাকার ও স্নেহা রানা।
২৩ বলে ২৭ রান করে শেষ ওভারে জাহানারা আলমের বলে স্নেহা সাজঘরে ফেরত গেলেও শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন পূজা। ২ চারে ৩৩ বলে ৩০ রান আসে তার ব্যাট থেকে। বাংলাদেশের পক্ষে ১০ ওভার বল করে ৩৭ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন পূজা। এছাড়া নাহিদা ২ ও জাহানারা নেন একটি উইকেট।
নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে এর আগে পাকিস্তানকে হারায় বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজকেও প্রায় হারিয়েই দিয়েছিল। মাত্র ৪ রানের জন্য তা হয়নি।


