
নিজস্ব প্রতিবেদক


প্রাকৃতিক গ্যাসসমৃদ্ধ উপকূলীয় জেলা ভোলায় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকা সত্ত্বেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। ফলে তীব্র গরমের মধ্যে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন চরম দুর্ভোগে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দিনে গড়ে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টাও টানা বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না। অনেক এলাকায় ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ বার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে, যা দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে অস্থির করে তুলেছে।
সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন চলমান এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীরা। অভিভাবকদের ভাষ্য, অনিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে, গত এক মাস ধরে জেলার তাপমাত্রা ৩৪ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকায় ভ্যাপসা গরমের সঙ্গে বিদ্যুৎ সংকট মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও অসহনীয় হয়ে উঠেছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, বিদ্যুতের ঘন ঘন বিচ্ছিন্নতায় ফ্রিজে রাখা পণ্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অনেক দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকারখানাগুলোর উৎপাদনও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, ফলে লোকসান বাড়ছে।
শ্রমজীবী মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও একই সংকটে পড়েছেন। নিয়মিত বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের আয়-রোজগার কমে যাচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ভোলায় উৎপাদিত বিদ্যুৎ দেশের অন্য জেলায় সরবরাহ করা হলেও স্থানীয় গ্রাহকেরা তার সুফল পাচ্ছেন না।
তবে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার তুলনায় কম বিদ্যুৎ পাওয়ায় বাধ্য হয়ে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।
ভোলা পল্লী বিদ্যুতের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মাহমুদুল হাসান বলেন, “চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।”
ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ জানান, জেলায় ছয়টি উপজেলায় পাঁচ লাখের বেশি গ্রাহক বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু জাতীয় গ্রিড থেকে প্রয়োজনীয় সরবরাহ না পাওয়ায় সংকট তৈরি হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ভোলার বাসিন্দারা। তাদের মতে, স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন থাকা সত্ত্বেও এমন সংকট কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এর টেকসই সমাধান জরুরি।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ইয়াবা সেবন ও ব্যবহারের অপরাধে মো. ফারুক নামে এক ব্যক্তির এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সাতক্ষীরার জেলার, তালা উপজেলার ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির ১৩ জন ছাত্রীর বাল্যবিয়ে সম্পন্ন হওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।