শেরপুর জেলা প্রতিনিধি: হফুজুর রহমান সাইমন


শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতি উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে তাকে মাঠে পাচ্ছেন না কৃষকরা। এতে করে বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ কৃষকরা।

একাধিক কৃষক ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম দিকে কৃষকদের সার বীজ ও অন্যান্য কৃষিপণ্য দেওয়ার আশ্বাস দেন রুহুল কুদ্দুস। বিনিময়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি।


ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিষয়টি উপজেলা কৃষি অফিসারকে জানানোর পরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুসের নামে মামলা রয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের কারণে দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় যান না। তবে প্রতি মাসে এসে নিয়মবহির্ভূতভাবে হাজিরা খাতায় সই করে যান।


ঝিনাইগাতি সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘কৃষি কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুসের সঙ্গে বছরখানেক আগে দেখা হয়েছিল। এরপর তাকে আর দেখিনি। শুনেছি তার নামে মামলা হয়েছে।’


এ বিষয়ে জানতে ঝিনাইগাতি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেনের কাছে গেলে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রায় তিন ঘণ্টা অফিসে বসিয়ে রেখে কৌশলে কর্মস্থল ত্যাগ করেন

যোগাযোগের চেষ্টা করেও অভিযুক্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুসের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। তদন্ত সাপেক্ষে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।