
ঈদ এলেই ট্রেনের টিকিটের চাহিদা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। এক একটি ট্রেনের টিকিট যেন হয়ে যায় এক একটি ‘সোনার হরিণ’। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দৌরাত্ম্য বাড়ে কালোবাজারিদের। রেলওয়ের কিছু অসৎ কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করে ব্ল্যাকে অতিরিক্ত দামে ঘরমুখো যাত্রীদের কাছে সেগুলো বিক্রি করেন তারা।
এমনই একটি টিকেট কালোবাজারি চক্রের সন্ধান পেয়েছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গ্রেপ্তার করা হয়েছে চক্রের মূলহোতা বাংলাদেশ রেলওয়ের টিকিট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান সহজের (সহজ-সিনেসিস-ভিনসেন জেভি) সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার মো. রেজাউল করিম রেজাসহ (৩৮) দুইজনকে।
বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান।
এ বিষয়ে বিকাল ৩টায় র্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে রেজাউলকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সহজের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফরহাদ আহমেদও। টিকিট কালোবাজারির অভিযোগে ওই কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে সহজ জানায়, ট্রেনের টিকিট কালোবাজারির অভিযোগে বুধবার (২৭ এপ্রিল) রেজাউলকে রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। ঘৃণ্য অপরাধ ও সহজের মানহানির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
গত ২১ মার্চ সহজের (সহজ-সিনেসিস-ভিনসেন জেভি) সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিয়োগ পান রেজাউল। এর আগে তিনি বাংলাদেশ রেলওয়ের টিকেট বিক্রি পরিচালনায় যুক্ত ছিলেন।



