

কথায় আছে, নেশা তোমাকে তোমার বাস্তবতা সম্পর্কে সন্দিহান এবং অন্ধ বানিয়ে ফেলে। এই উক্তিটির জ্বলন্ত উদাহরণ পাওয়া গেল রাজধানী ঢাকায়ই।
নিজের নেশার টাকা জোগাড় এবং ব্যাক্তিগত ঋণ শোধ করার জন্য ফুফুর সোনার অলঙ্কার চুরি করার পরিকল্পনা আটে তারই ভাতিজা তানভীর। সঙ্গে নেয় তার দুষ্কৃতিকারী বন্ধুদের।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ফুফুর বাসায় আলমারি ভেঙে সোনার অলংকার চুরি করতে উত্তরার তার বাবার বোনের সেই বাসায় হানা দেয় তানভির ও তার বন্ধুরা। কিন্তু সেখানে গিয়ে তারা চুরি করার সময় তানভিরের ফুফার কাছে হাতেনাতে ধরা পড়ে যায়।
এটাই কাল হয় তানভিরের ফুফা ৭৫ বছর বয়সি শামসুদ্দিন আহমেদের। তাকে জবাই করে খুন করে তারা। পরে এই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
সেই মামলায় তদন্তে নেমে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকায় দুজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি শাটার গান, চার রাউন্ড গুলি, সোনার অলংকার ও নগদ চার হাজার টাকা উদ্ধার হয়।
সোমবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস কনফারেন্সে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার এই তথ্য দেন।
তিনি জানান, খুনের পর তানভির ভারতে পালিয়ে যায়। তাকে গ্রেপ্তার করে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত। শামসুদ্দিন আহমেদ পুরান ঢাকায় লোহার ব্যবসা করতেন। পরে ওই ব্যবসা ছেড়ে দেশের স্বনামধন্য একটি প্লাস্টিক প্রতিষ্ঠানের ডিলারশিপ নেন।


