ব্রণ কমাতে অনেকেই নিয়মিত ফেসওয়াশ, সিরাম ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন। কিন্তু ত্বকের যত্নে প্রায়ই উপেক্ষিত থেকে যায় বালিশের কভারের পরিচ্ছন্নতা। অথচ এতে জমতে পারে ঘাম, ত্বকের অতিরিক্ত তেল, মৃত কোষ, ধুলাবালু ও চুলের প্রসাধনীর অবশিষ্টাংশ। ঘুমের সময় এসব উপাদান ত্বকের সংস্পর্শে এসে কারও কারও ক্ষেত্রে ব্রণ বা ত্বকের অস্বস্তি বাড়াতে পারে।
বালিশের কভারে কী জমে?
ঘুমের সময় মুখ ও চুল বালিশের কভারের সংস্পর্শে থাকে। এতে ত্বকের তেল, ঘাম, মৃত কোষ, ধুলাবালু এবং চুলের তেল বা প্রসাধনীর অবশিষ্টাংশ জমতে পারে। নিয়মিত পরিষ্কার না করলে এসব উপাদান কভারে থেকে যায়।
কত দিন পরপর বদলাবেন?
সাধারণভাবে সপ্তাহে অন্তত একবার বালিশের কভার বদলে ধুয়ে নেওয়া ভালো। তবে যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত, ব্রণপ্রবণ কিংবা রাতে বেশি ঘাম হয়, তাঁরা প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ঘন ঘন কভার পরিবর্তন করতে পারেন।
ব্রণের সঙ্গে সম্পর্ক কী?
অপরিষ্কার কভারে জমে থাকা তেল ও ময়লা ত্বকের সংস্পর্শে এলে অস্বস্তি বাড়তে পারে। বিশেষ করে ব্রণপ্রবণ ত্বকে পরিচ্ছন্নতার অভাব সমস্যা বাড়াতে পারে। তবে শুধু অপরিষ্কার বালিশের কভারই ব্রণের কারণ নয়। হরমোন, বংশগত বৈশিষ্ট্য ও ত্বকের অতিরিক্ত তেল উৎপাদনসহ বিভিন্ন কারণে ব্রণ হতে পারে।
কভার পরিষ্কারে পাঁচটি অভ্যাস
১. নিয়মিত ধোয়া: সপ্তাহে অন্তত একবার কভার ধুয়ে নিন; প্রয়োজন হলে আরও ঘন ঘন বদলান।
২. ভালোভাবে শুকানো: ধোয়ার পর কভার সম্পূর্ণ শুকিয়ে ব্যবহার করুন।
৩. মৃদু ডিটারজেন্ট: ত্বকে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে এমন তীব্র সুগন্ধিযুক্ত ডিটারজেন্ট এড়িয়ে চলুন এবং ভালোভাবে ধুয়ে নিন।
৪. চুলের পরিচ্ছন্নতা: রাতে চুলে অতিরিক্ত তেল বা প্রসাধনী ব্যবহার করলে তা কভারে লাগতে পারে। এ বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
৫. অতিরিক্ত কভার রাখা: কয়েকটি অতিরিক্ত কভার রাখলে নিয়মিত পরিবর্তন করা সহজ হবে।
ত্বকের যত্নে পরিচ্ছন্নতাও গুরুত্বপূর্ণ
ত্বকের যত্ন শুধু প্রসাধনী ব্যবহারে সীমাবদ্ধ নয়। নিয়মিত মুখ পরিষ্কারের পাশাপাশি বালিশের কভার, তোয়ালে ও মুখ মোছার কাপড়ও পরিষ্কার রাখা জরুরি। ছোট ছোট পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস ত্বকের সামগ্রিক যত্নে সহায়ক হতে পারে।









