ফারজানা আফরোজের জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগদানের খবরের সঙ্গে নিজের নাম জড়িয়ে যাওয়ার পর নতুন করে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি। শুক্রবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি দাবি করেন, ফারজানা আফরোজের সঙ্গে তাঁর তালাক আগেই কার্যকর হয়েছে। তবে একই পোস্টে তিনি দাবি করেন, ওই নারীর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়নি।

রনি লেখেন, কথিত স্ত্রী দাবি করে ওই নারী একসময় তাঁর অফিসে গেলে তিনি ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশ ডাকেন। পরে ধানমন্ডিতে তাঁর বাসায় যাওয়ার ঘটনায় শাহবাগ থানায় অভিযোগ করেন বলেও জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য, থানায় ওই নারীর কাছ থেকে কথিত কাবিননামার একটি অনুলিপি সংগ্রহ করা হয়।

রনির দাবি, আইনজীবীদের পরামর্শে তিনি তালাকের নোটিশ পাঠান এবং কথিত কাবিননামায় উল্লেখিত দেনমোহরের ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করেন। তালাক কার্যকর ও নিবন্ধিত হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। বিষয়টি তাঁর পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনেরা শুরু থেকেই জানতেন বলে পোস্টে উল্লেখ করেন।

ফারজানা আফরোজ ও কয়েকজন ইউটিউবারের বিরুদ্ধে তাঁকে হেয় করার উদ্দেশ্যে প্রচারণা চালানোর অভিযোগও করেন রনি। পাশাপাশি প্রশ্ন তোলেন, এত দিন পর এনসিপির নেতারা কেন ফারজানা আফরোজকে ঘিরে রাজনৈতিকভাবে আগ্রহী হয়েছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার কয়েকটি গণমাধ্যমে ‘এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন গোলাম মাওলা রনির স্ত্রী’ শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়। এর প্রতিবাদ জানিয়ে রনি দাবি করেন, ফারজানা আফরোজ তাঁর স্ত্রী নন। গণমাধ্যমের প্রকাশিত তথ্যের সঙ্গে নিজের অবস্থানের অমিল তুলে ধরতেই তিনি পরপর ফেসবুক পোস্ট দেন।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান ফারজানা আফরোজ এনসিপির নারী সংগঠন ‘জাতীয় নারী শক্তি’র কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দায়িত্ব পেতে পারেন বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে ফারজানা আফরোজ বা এনসিপির পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।