প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রয়োজন, সুবিধা ও জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা করেই ভারতে সফরের সময় নির্ধারণ করবেন বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেছেন, অন্য কোনো পক্ষ থেকে সফরের তারিখ নির্ধারণ করে দেওয়া হলে বাংলাদেশ সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে না।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ হুইপ বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। তাই কোনো দেশের নির্ধারিত সময়সূচি বা নির্দেশনার ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরের সিদ্ধান্ত নেবেন না। বাংলাদেশের প্রয়োজন, সুবিধা ও স্বার্থ বিবেচনা করেই সফরের সময় নির্ধারণ করা হবে।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক প্রসঙ্গে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ। কোনো প্রতিবেশী দেশকেই বাংলাদেশ উপেক্ষা করতে চায় না। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে।
তিনি আরও বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক পারস্পরিক মর্যাদা ও সম্মানের ভিত্তিতে বজায় রাখা হবে।
এ সময় গত ১৬-১৭ বছরে বাংলাদেশে নিপীড়ন, গুম ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের একটি অংশ ভারতে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেন চিফ হুইপ। তিনি বলেন, ভারত যেন কোনো অপরাধীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় না দেয় এটাই বাংলাদেশের প্রত্যাশা।
নুরুল ইসলাম মনি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের কল্যাণ ও দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি চায়, তাহলে যারা দেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার ধ্বংস করেছে, তাদের যেন ভারতে আশ্রয় দেওয়া না হয়।
এর আগে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে চিফ হুইপের বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।










