ভিডিওবার্তায় সংবাদপত্র ছেঁড়ার ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি দাবি করেছেন, কোনো সংবাদপত্র নয়, বরং তাঁর বিরুদ্ধে ছড়ানো একটি মিথ্যা বক্তব্য ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে তিনি ওই কাজ করেছেন।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমি একটি মিথ্যা ন্যারেটিভকে ছিঁড়েছি। হাসিনাপুত্রের সঙ্গে আমি এক হয়েছি মর্মে যে মিথ্যাচার করা হয়েছে, আমি সেই অসত্যকে ছিঁড়ে ফেলেছি।’

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনাকে কটূক্তির মামলায় তাঁকে জেল খাটতে হয়েছে। তাঁর কোনো বক্তব্য অপছন্দ হলে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা রাজনৈতিক ভাষায় সমালোচনা করতে পারেন। সেই সমালোচনাকে তিনি সাধুবাদ জানাবেন।

রাশেদ খাঁনের দাবি, তাঁকে ‘নব্য বিএনপি’ বলার অধিকার কারও নেই। সম্পাদক মাহমুদুর রহমানও তাঁকে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে এক হওয়ার অভিযোগ করতে পারেন না।

তিনি বলেন, জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার বৈঠকের তথ্য সামনে আনার পর পাল্টা বক্তব্য হিসেবে তাঁর বিরুদ্ধে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, এ অভিযোগ জামায়াত বা দলটির নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ার করলে তিনি রাজনৈতিক ভাষায় জবাব দিতেন। কিন্তু একটি সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্য ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তাই একজন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি হিসেবে রাজনৈতিকভাবে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমি কোনো পত্রিকা ছেঁড়ার মতো ভুল করতে পারি না। এটি জামায়াতের পক্ষে ন্যারেটিভ দাঁড় করানোর একটি হাতিয়ার। এই হাতিয়ার ব্যবহার করে কারও চরিত্রহননের সুযোগ নেই।’

তিনি আরও বলেন, একটি সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় ও সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণ করা উচিত। তাঁর অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট প্রকাশনা এসব নীতিমালা অনুসরণ করছে না।