
নিজস্ব প্রতিবেদক


টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এর চতুর্থ আসরে ১৯টি ক্যাটাগরিতে ৫৯টি উদ্যোগকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪টি উদ্যোগ বিজয়ী এবং ২৫টি উদ্যোগ অনারেবল মেনশন অর্জন করেছে।
সম্প্রতি রাজধানীর র‍্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভের উদ্যোগে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। আয়োজনটি করেছে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম ও সাসটেইনেবল ব্র্যান্ড ইনিশিয়েটিভ। অনুষ্ঠানের টাইটেল পার্টনার ছিল আকিজ বশির গ্রুপ। কো-পার্টনার হিসেবে ছিল এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড ও আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি)। সহযোগী হিসেবে যুক্ত ছিল প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ এবং বিজিএমইএ।
আয়োজকদের মতে, জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশে অসামান্য অবদান রাখা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, এনজিও ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কার্যকর উদ্যোগকে স্বীকৃতি দিতেই এই সম্মাননার আয়োজন করা হয়েছে।
এবারের আয়োজনে দেশের বিভিন্ন খাত থেকে মোট ৪৭২টি মনোনয়ন জমা পড়ে। জাতিসংঘ ঘোষিত ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার পূর্ণাঙ্গ পরিধি এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সেগুলোর প্রাসঙ্গিকতা বিবেচনায় নিয়ে ১৯টি ক্যাটাগরিতে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয় বহু-স্তরের মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। প্রাথমিক বাছাই শেষে সাতটি পৃথক গ্র্যান্ড জুরি সেশনে বিস্তারিত মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়। এ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন খাতের ২৭ জন বিশেষজ্ঞ অংশ নেন। তাদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় বিজয়ী নির্বাচন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরিফুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে এমন এক সময়ে বিশ্ব দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে ব্র্যান্ডগুলোর প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি উদ্দেশ্যনির্ভর নেতৃত্বও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তার ভাষায়, এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস এমন উদ্যোগকে স্বীকৃতি দেয়, যারা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তব ও পরিমাপযোগ্য পরিবর্তন আনছে। তিনি বলেন, এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাহসী উদ্যোগকে উৎসাহিত করা, রূপান্তরমূলক চিন্তাকে বিস্তৃত করা এবং টেকসইতাকে ভবিষ্যতের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক মানদণ্ডে পরিণত করাই তাদের লক্ষ্য।
অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের আগে একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হয় সাসটেইনাবিলিটি সামিট ২০২৬-এর চতুর্থ আসর। দিনব্যাপী এই সম্মেলনে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়িক প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক, শিল্প বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ এবং সামাজিক উদ্যোক্তারা অংশ নেন।
সামিটে তিনটি কি-নোট সেশন, দুটি প্যানেল আলোচনা, তিনটি ইনসাইট সেশন, দুটি কেস স্টাডি, একটি এক্সপার্ট ডিপ ডাইভ এবং একটি পলিসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় টেকসইতা কীভাবে ব্যবসায়িক মডেল পুনর্গঠন করছে, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করছে, তা তুলে ধরা হয়।
কি-নোট সেশনে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান। প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি দেশের সবুজ রূপান্তরে পুঁজি সঞ্চালনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। ভার্চুয়াল সেশনে বক্তব্য দেন নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির কেলগ স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের প্রফেসর ইমেরিটাস ফিলিপ কটলার এবং কানাডার রেসইন্ট সাসটেইনেবিলিটি ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট ড. খালিদ হাসান। তারা পুঁজিবাদের পরবর্তী বিবর্তন এবং টেকসই মূল্য সৃষ্টির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া হিন্দুস্তান ইউনিলিভার ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. শ্রামন ঝা টেকসইতাকে ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির অন্যতম শর্ত হিসেবে তুলে ধরেন।
অন্যান্য আলোচনায় উঠে আসে, টেকসইতা এখন ব্যবসার প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি। ইনসাইট সেশনগুলোতে দায়বদ্ধতাকে অংশীদারিত্বমূলক মূল্যে রূপান্তর, তথ্য-উপাত্ত ও ইএসজি রিপোর্টিংয়ের গুরুত্ব এবং শক্তিশালী ইএসজি কাঠামোর মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
প্যানেল আলোচনায় বোর্ডরুম থেকে ব্যবসার আর্থিক ফলাফলে টেকসইতাকে কীভাবে যুক্ত করা যায় এবং বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প কীভাবে বৈশ্বিক পর্যায়ে দায়িত্বশীল ব্যবসার মানদণ্ড তৈরি করছে, তা তুলে ধরা হয়। কেস স্টাডিতে সবুজ প্রবৃদ্ধিতে কার্বন মার্কেটের সম্ভাবনা এবং টেকসইতা নিয়ে বিশ্বাসযোগ্য যোগাযোগের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। এক্সপার্ট ডিপ ডাইভ সেশনে দেশের সাপ্লাই চেইনে দায়িত্বশীল ব্যবসার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করা হয়।
আয়োজনে স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে ছিল ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভার্টাইজিং অ্যাসোসিয়েশন (আইএএ) বাংলাদেশ, এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন (এএমএফ) এবং মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এমএসবি)। পিআর পার্টনার ছিল ব্যাকপেজ পিআর, অফিসিয়াল ক্যারিয়ার পার্টনার ছিল টার্কিশ এয়ারলাইনস এবং হসপিটালিটি পার্টনার ছিল র‍্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেল ঢাকা।
গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ ও কার্যকর করতে রূপায়ণ সিটি উত্তরা এবং বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফার্নিচার ব্র্যান্ড নাভানা ফার্নিচার সাভারে তাদের নতুন শো-রুমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নাভানা ফার্নিচারের প্রতিনিধিবৃন্দ, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। ফিতা কাটা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
‘সহজ কিস্তি’, ‘০% সুদ’ গ্রাহক আকৃষ্ট করতে এমন প্রচারণার আড়ালে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে কেন? চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো বাংলাদেশের কিস্তি বিক্রয়ব্যবস্থা নিয়ে এমন প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে। ৯ মাসের কিস্তিতে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে নগদ মূল্যের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে গ্রাহককে। অথচ প্রচারণায় বলা হচ্ছে ‘০% সুদ’।
দক্ষতা, কর্মসংস্থান এবং শিল্পখাতের চাহিদার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’, যার আয়োজন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউসেপ বাংলাদেশ। ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত অল্টারনেটিভ লার্নিং প্রজেক্ট (ALP) এবং জিআইজেড-এর Advantage প্রজেক্ট-এর আওতায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজন তরুণদের জন্য নতুন কর্মজীবনের সুযোগ উন্মোচনের পাশাপাশি নিয়োগদাতা ও চাকরিপ্রত্যাশীদের এক ছাদের নিচে নিয়ে আসে।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।