

প্রতিদিন দাঁত পরিষ্কার করতে ব্যবহৃত টুথপেস্টের মাধ্যমেই অজান্তে শরীরে প্রবেশ করতে পারে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক। দেশে বাজারজাত বিভিন্ন টুথপেস্টের ওপর পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, পরীক্ষা করা প্রতি চারটি টুথপেস্টের মধ্যে প্রায় তিনটিতেই এই ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা রয়েছে।
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো) এক বছরের গবেষণায় দেশীয় ও আমদানি করা ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা পরীক্ষা করে। এতে ২৬টি নমুনায়, অর্থাৎ ৭৬ দশমিক ৫ শতাংশ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। গবেষণায় শিশুদের জন্য তৈরি কিছু টুথপেস্টেও মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে।
তবে গবেষণায় পরীক্ষিত ৩৪টি নমুনার মধ্যে ৮টি টুথপেস্টে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি। এগুলো হলো:
১. জেনফ্রেশ (দেশীয় ব্র্যান্ড)২. প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) (দেশীয় ব্র্যান্ড)৩. ক্লোজ-আপ রেড-হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজি (দেশীয় ব্র্যান্ড)৪. প্যারোডনট্যাক্স এক্সপার্ট গাম কেয়ার (ভারত)৫. সেনসোডাইন ফ্রেশ জেল (ভারত)৬. কোলগেট ম্যাক্সফ্রেশ (ভারত)৭. কোলগেট অ্যাক্টিভ সল্ট (ভারত)৮. কুডুমু অরেঞ্জ (থাইল্যান্ড)
এসডোর গবেষণা অনুযায়ী, পরীক্ষিত নমুনার ২৩ দশমিক ৫ শতাংশে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়নি। সংস্থাটি ভোক্তাদের টুথপেস্ট কেনার ক্ষেত্রে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পণ্যের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে।




