দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানোর ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। নির্ধারিত নতুন দামেই আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) দেশের বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়।
নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।
বাজুসের নির্দেশনা অনুযায়ী, স্বর্ণালঙ্কার তৈরির মজুরি ডিজাইনভেদে নির্ধারণ করা হবে। স্বর্ণ ও রুপার অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এ ছাড়া মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো স্বর্ণ কেনার ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পুরোনো স্বর্ণ কেনার ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে।
এর আগে, গত ২২ অক্টোবর সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। একই সময়ে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ওই দামও সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছিল।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১২৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬০ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে, ৬৪ দফা কমানো হয়েছে এবং এক দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সে বছর ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়।









