দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের সেরা ১০০টি শিখন ত্বরান্বিতকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং জলবায়ু সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে সেরা ১০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচনের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে নির্ধারিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ২১ জুনের মধ্যে অনলাইনে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উন্নয়ন-১ শাখা থেকে জারি করা এক জরুরি চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন ‘লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস)’ প্রকল্পের আওতায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবর ২০২৩ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৮ মেয়াদে বাস্তবায়িত হচ্ছে লেইস প্রকল্প। প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা দিচ্ছে। এর মধ্যে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ভিত্তিতে ২৮০ মিলিয়ন ডলার ছাড় করা হবে। পাঁচ বছর মেয়াদি প্রকল্পে মোট ৩৫টি ডিএলআর অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পের দ্বিতীয় বছরের লক্ষ্যমাত্রার অংশ হিসেবে শিখন ত্বরান্বিতকরণে সফল ১০০টি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং জলবায়ু সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে সেরা ১০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সার্টিফিকেট ও পুরস্কার দেওয়া হবে।
এ কর্মসূচির জন্য এর আগে দেশের প্রতিটি উপজেলা ও মেট্রোপলিটন থানা থেকে চারটি করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তিনটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং একটি দাখিল মাদ্রাসা।
নির্দেশনা অনুযায়ী, শিখন ত্বরান্বিতকারী প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের জন্য অংশগ্রহণকারী বিদ্যালয় ও মাদ্রাসাগুলোকে ষষ্ঠ ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের গণিত বিষয়ের ২০২৪ ও ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল নির্ধারিত অনলাইন সফটওয়্যারে এন্ট্রি করতে হবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানপ্রধানের স্বাক্ষরযুক্ত ফলাফলের স্ক্যান কপিও আপলোড করতে হবে।
অন্যদিকে, জলবায়ু সচেতনতামূলক কার্যক্রমে সেরা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের জন্য সংশ্লিষ্ট তথ্য ও প্রমাণপত্র একই সফটওয়্যারে যুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তথ্যের সঠিকতা যাচাইয়ে উপজেলা ও মেট্রোপলিটন থানা পর্যায়ে তিন সদস্যের স্থানীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে কমিটির সভাপতি থাকবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। মেট্রোপলিটন থানা পর্যায়ে সভাপতি থাকবেন সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবং সদস্য সচিব থাকবেন থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।
নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ২০ জুনের মধ্যে অনলাইনে তথ্য এন্ট্রি সম্পন্ন করতে হবে। পরে স্থানীয় কমিটি ২১ জুনের মধ্যে তথ্য যাচাই করে অনলাইনে ফরওয়ার্ড করবে। কারিগরি সহায়তার জন্য প্রকল্প কর্তৃপক্ষ ই-মেইলে যোগাযোগের সুযোগ রেখেছে।









