

চেনা চেনা লাগে তবুও অচেনা! রনি তালুকদারের লাল সবুজের ক্যারিয়ার টা অনেকেরই অজানা। তার আগে পূর্ব ইতিহাসের কিছু নাম শুনে আসি। বরাবরই টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের বড় ব্যর্থতা ওপেনিং পজিশনে। তামিমের সাথে কখনো হাল ধরেছেন শাহরিয়ার নাফিস কখনো বা শামসুর রহমান, কখনো ইমরুল কায়েস আবার কখনো এনামুল হক বিজয়, কখনো নাঈম শেখ, শেষের দিকে এই তালিকায় লিটন কুমার দাসও ছিলেন। বরাবরই সঙ্গী অভাবে ভোগা তামিমের পর লিটন যখন ওপেনিংয়ে পারফেক্ট তখনও সঙ্গী অভাবে ভুগিয়েছে তামিম ইকবালের না থাকা। সেই অভাব এবার কি ঘুচবে? ইতিহাস ঘাটলে বলবেন না, ইতিহাসের বাইরে ক্রিকেটকে নতুন করে দেখলে আপনাকে বলতে বাধ্য করবে এটাই হ্যাঁ। কারণটা রনির আত্মবিশ্বাসী ক্রিকেট। খেলার ধরনটা দেখলে আপনি বলতেই চাইবেন না, সাত বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আবারো নতুন করে অভিষেক হওয়া। ১ম টি-টোয়েন্টিতে লিটন কুমার দাস রনি তালুকদারের ওপেনিং জুটিতে পাওয়ার প্লে তে রান এসেছে ৮১ যা পাওয়ার প্লে তে বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। হুট করে দলে ডাক পাওয়া ভোর হতে না হতেই মিডিয়া ম্যানেজারের সাথে ছুটে চলা। সবকিছুর মাঝে রনির ভাবনাটা ছিল দীর্ঘ এর পূর্বেও তো এরকমই হয়েছে দলে ডাক পেয়েছেন তবে ম্যাচ খেলা হয়নি। ঘরোয়া ক্রিকেটে বরাবরই ভালো পারফর্ম করে নজরে থাকেন। সব শেষ বিপিএলে তার ফর্মটা সবাই দেখেছে, ১৩ ম্যাচে তার রান সংখ্যাটা ৪২৫। রংপুর রাইডার্স এর বিশ্বস্ত এই ওপেনার দেশের একমাত্র ফ্রান্চাইইজি লীগের সব শেষ আসরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের মালিক। গড় স্ট্রাইক রেটটা ১৩০। এরপরই নজরে আসেন জাতীয় দলের সিলেক্টরদের নজরে তাকে ডাকা হয় আয়ারল্যান্ড সিরিজে।আয়ারল্যান্ড টি টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচেই ৩ ছয় ৭ চারে 38 বলে ৬৭ রানের ক্যামিও ইনিংস। নারায়ণগঞ্জের ছেলেটার দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষা শেষ হয়েছে তবে তিনি যদি নিজেররূপে চলতে পারেন নিজের আশা পূরণের সাথে ওপেনিং নিয়ে এত জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটবে।


