

২০০৭ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধান কোচের দায়িত্ব সামলানো কোচ জেমি সিডন্সকে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যতম সফল কোচ হিসেবে গণ্য করা হয়। আজকের যে সাকিব-তামিম বিশ্ব মাতিয়ে বেড়াচ্ছেন, তাঁর অধিকাংশ ক্রেডিটই কিন্তু এই জেমি সিডন্সের। জেমি সিডন্সের অধীনেই সাকিব-তামিমরা তাঁদের ব্যাটিং এপ্রোচের যথেষ্ট উন্নতি করেছিলেন। আর গুরু সিডন্সের অবদান এই দুই ক্রিকেটার বরাবরই স্বীকার করেন। এগারো বছর পর এ বছরের শুরুর দিকেই বিসিবি দ্বিতীয় দফায় নিজেদের ডেরায় ফেরায় অভিজ্ঞ এ কোচকে। ফেব্রুয়ারি থেকে নিয়োগ পাওয়া এ কোচ এতোদিন সামলেছেন জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচের দ্বায়িত্ব।তবে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাথে আর কাজ করবেন না ব্যাটিং কোচ জেমি সিডন্স। সোমবার নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ। তবে সাকিব-তামিমদের সাথে কাজ না করলেও যুক্ত থাকবেন বিসিবির অন্য প্রোগ্রামে। তিনি তাঁর ওই পোস্টেই বাংলাদেশ ‘এ’ এবং টাইগার্স দলের হয়ে কাজ করার কথাও নিশ্চিত করেছেন । জেমি বলেন, “সংক্ষিপ্ত ছুটির পর ঢাকায় ফিরেছি। এখন থেকে আমি আর বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাথে কাজ করবো না। বিসিবির সাথে কথা বলেই তরুণ প্রজন্মের সাথে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি। বাংলাদেশ ‘এ’ এবং টাইগার্স দলের হয়ে কাজ করবো। আমি মনে করি, তাদেরকে দেয়ার মতো আমার অনেক কিছুই আছে”।দিতীয় দফায় জেমির সঙ্গে বিসিবি চুক্তি করেছিলো দুই বছরের জন্য। শুরু থেকেই জাতীয় হলের পাশাপাশি দেশের পাইপ লাইন নিয়ে কাজ করার কথা থাকলেও তা কার্যকর হয়নি। অবশেষে দেশের তরুণ প্রজন্মের ক্রিকেটারদের নিয়ে কাজ করতে বিসিবির সাথে একমত হয়েছেন সিডন্স।এ বছরের শুরুতে তাঁর অধীনে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। মার্চের শুরুতে ওয়ানডে সিরিজে ইংল্যান্ডের কাছে ২-১ ব্যাবধানে সিরিজ হারলেও ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডকে টি-টোয়েন্টিতে হোয়াইট ওয়াশ করে বাংলাদেশ। অন্যদিকে তাঁর অধীনে আয়ারল্যান্ড সিরিজে ওয়ানডেতে ২-০ তে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। তবে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে আইরিশদের হোয়াইটওয়াশ করতে পারে নি টাইগাররা।


