ফ্রান্সে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতায় গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৪০০ ছাড়িয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ ও জরুরি সেবাকর্মী মিলিয়ে আহত হয়েছেন ৯৯৭ জন।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, গ্রেফতার ও আহতের সংখ্যা এখনো চূড়ান্ত নয়। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ জানিয়েছেন, প্রকৃত সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বিক্ষোভের সূচনা হলেও পরে তা জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থার অবনতির প্রতিবাদে বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নেয়। একপর্যায়ে বামপন্থি বিভিন্ন সংগঠন ও শ্রমিক ইউনিয়নও এতে যোগ দেয়।

ফ্রান্সের পাশাপাশি ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশেও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছে। গত সপ্তাহে ইতালির কয়েকটি শহরে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন। তবে ফ্রান্সের তুলনায় সেখানে বিক্ষোভের ব্যাপ্তি ছিল কম। মিলানে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও দোকানপাটে লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

বেলজিয়ামেও বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে। এ ছাড়া পর্তুগালেও আন্দোলন শুরু হয়েছে।

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে অসন্তোষের মধ্যে এসব বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে।