কুয়েতে এক ইয়েমেনি নাগরিককে হত্যার ঘটনায় পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন এক বাংলাদেশি প্রবাসী। পরে হত্যার দায় স্বীকারের কথা জানালে তাঁকে আটক করে পুলিশ।
কুয়েতের শার্ক থানায় গিয়ে ওই বাংলাদেশি যুবক হত্যাকাণ্ডের কথা জানান। ২০০২ সালে জন্ম নেওয়া যুবককে থানায় উপস্থিত হওয়ার সময় ভীত ও উদ্বিগ্ন দেখাচ্ছিল বলে জানা গেছে।
জিজ্ঞাসাবাদে সন্দেহভাজন দাবি করেন, নিহত ইয়েমেনি নাগরিক তাঁর শরীরে পানি ছিটিয়েছিলেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি ওই ব্যক্তিকে আক্রমণ করেন এবং তাঁর গলা কেটে দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এর আগে কুয়েতের মুতলা শহরের একটি স্থাপনার ভেতর থেকে ১৯৯১ সালে জন্ম নেওয়া এক ইয়েমেনি নাগরিকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বাংলাদেশি যুবকের স্বীকারোক্তির যোগসূত্র পাওয়া গেছে।
মরদেহ উদ্ধারের পর নিরাপত্তাকর্মীরা ঘটনাস্থল ঘিরে রাখেন। পরে সেখানে পাবলিক প্রসিকিউশন, অপরাধ তদন্ত বিভাগ ও ফরেনসিক দলের সদস্যরা পৌঁছে আলামত সংগ্রহ করেন এবং তদন্ত শুরু করেন।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, সন্দেহভাজন বাংলাদেশি আগে থেকেই নিজ আবাসস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে নথিভুক্ত ছিলেন। তাঁকে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তবে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বিবরণ ও কথিত উদ্দেশ্য সম্পর্কে কুয়েতের কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করেনি।








