হেমন্তের হিমেল বাতাসের সঙ্গে শীতের আগমনী বার্তা মিলছে প্রকৃতিতে। এবার শীত মৌসুমে দেশে চার থেকে ছয়টি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি তীব্র রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের নভেম্বর ২০২৬ থেকে জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত তিন মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, শৈত্যপ্রবাহের সময় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। মৃদু শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা থাকবে ৮–১০ ডিগ্রি এবং মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে ৬–৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।
এ সময়ে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকা ও উত্তরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে কোথাও কোথাও দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান কমে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।
তবে শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা থাকলেও পুরো মৌসুমে দিন ও রাতের গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি থাকতে পারে। একই সময়ে বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান জানান, শীত মৌসুমে সার্বিক বৃষ্টিপাত প্রায় স্বাভাবিক থাকতে পারে। তবে ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে, বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব বেশি অনুভূত হতে পারে।









