চাঁদপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ১৯৮ পিস ইয়াবাসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। একই দিনে কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৭৬ জনকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো তথ্যে এ বিষয়ে জানানো হয়। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার ও আটক করা হয়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ ১৭ পিস ইয়াবাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ১৫ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ১২ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। বাকি তিনজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

citytouch 728-X-90

হাইমচর থানা পুলিশ দুই পিস ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। একই সঙ্গে কিশোর গ্যাং সন্দেহে সাতজনকে আটক করা হয়।

ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ ১০ পিস ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া সিআর পরোয়ানার ভিত্তিতে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই এলাকায় কিশোর গ্যাং সন্দেহে আটক করা হয়েছে সাতজনকে।

মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশ পাঁচজনকে এবং মতলব উত্তর থানা পুলিশ ছয়জনকে আটক করেছে। পরে তাদের কয়েকজনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকিদের অভিভাবকের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ ১৫০ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। একই থানায় কিশোর গ্যাং সন্দেহে আটক করা হয় ২১ জনকে।

শাহরাস্তি থানা পুলিশ তিন পিস ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া ছয়জনকে আটক করা হয়। কচুয়া থানা পুলিশ ১৬ পিস ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি কিশোর গ্যাং সন্দেহে আরও নয়জনকে আটক করেছে।

চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আটক কিশোরদের যাচাই-বাছাই শেষে নিজ নিজ অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। মাদকমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে তিনি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

এর আগে, গত ১০ অক্টোবর চাঁদপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। একই সময়ে কিশোর গ্যাং সন্দেহে আটক করা হয়েছিল ৭০ জনকে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।