গাজীপুরের টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আগুন নেভানোর কাজে সহায়তা করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৬টি ইউনিটের পাশাপাশি সেনাসদস্যরাও কাজ করছেন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে সেনাবাহিনীর একটি দল নিজস্ব পানির ট্যাংক নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজে সহযোগিতা শুরু করে।

এর আগে ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৬টি ইউনিট কাজ করছে। আরও তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাওয়ার পথে রয়েছে। তবে সড়কে শ্রমিকদের বিক্ষোভের কারণে তাদের পৌঁছাতে দেরি হচ্ছে।

citytouch 728-X-90

বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে কারখানাটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। আগুনের তীব্রতা বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হয় উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে নিয়োজিত ইউনিটের সংখ্যা।

ওষুধ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আশপাশের এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে আগুনের সূত্রপাত, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পর অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যেতে পারে।

গাজীপুরের টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আগুন নেভানোর কাজে সহায়তা করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৬টি ইউনিটের পাশাপাশি সেনাসদস্যরাও কাজ করছেন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে সেনাবাহিনীর একটি দল নিজস্ব পানির ট্যাংক নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজে সহযোগিতা শুরু করে।

এর আগে ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৬টি ইউনিট কাজ করছে। আরও তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাওয়ার পথে রয়েছে। তবে সড়কে শ্রমিকদের বিক্ষোভের কারণে তাদের পৌঁছাতে দেরি হচ্ছে।

বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে কারখানাটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। আগুনের তীব্রতা বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হয় উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে নিয়োজিত ইউনিটের সংখ্যা।

ওষুধ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আশপাশের এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে আগুনের সূত্রপাত, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পর অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যেতে পারে।