অগ্রণী ব্যাংকের মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর শাখায় ৩১৫ জন গ্রাহকের প্রায় ৩০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। আমানতের অর্থ ফেরতের দাবিতে রোববার (৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ভুক্তভোগীরা।
এ সময় তাঁরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের অর্থ ফেরতের দাবি জানান।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগী গ্রাহক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক জাফরিন আলম রাখী সাত দফা দাবি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গ্রাহকেরা নিয়ম মেনেই শ্রীনগর শাখায় টাকা জমা রেখেছিলেন। কিন্তু এখন টাকা তুলতে গেলে ব্যাংক থেকে তাঁদের নামে কোনো হিসাব নেই বলে জানানো হচ্ছে। বিষয়টি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়েও জানানো হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে লিখিত আবেদনও করেছেন। আবেদনে বলা হয়, অনেক গ্রাহক সারা জীবনের সঞ্চয়, অবসরকালীন অর্থ ও ব্যবসার মূলধন ওই শাখায় জমা রেখেছিলেন। আমানতের অর্থ ফেরত না পেয়ে তাঁরা আর্থিক সংকটে পড়েছেন। এতে গ্রাহকদের মধ্যে হতাশা ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে ঘটনার উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত, ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের আমানতের স্বচ্ছ তালিকা তৈরি, বৈধ ও প্রমাণিত আমানত দ্রুত ফেরত এবং জালিয়াতিতে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ।
অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, গ্রাহকের কাছে টাকা জমা দেওয়ার প্রমাণ থাকলে ব্যাংক তা ফেরত দিতে বাধ্য।









