রাজধানীর ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির নাম টানার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বোরহান উদ্দিন ইশরাক। এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনাটি মূলত জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ঘটেছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তেও বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। বিবৃতিতে বোরহান ইশরাক বলেন, ঘটনার পর সালমান মুক্তাদির ফেসবুক লাইভে এসে বিএনপিকে ‘চাঁদাবাজ দল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার প্রশ্ন, এ ঘটনায় বিএনপির কোনো নেতা-কর্মী কোথায় ছিলেন এবং তাদের বিরুদ্ধে হামলা কিংবা চাঁদা দাবির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ কী রয়েছে। “যেখানে ঘটনার তদন্তে জমি-বিরোধের বিষয় সামনে এসেছে, সেখানে বিএনপিকে ‘চাঁদাবাজ দল’ বলার ভিত্তি কী—সালমান মুক্তাদিরকে সেই প্রশ্নের জবাব দিতে হবে,” বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, কারও স্টুডিওতে হামলা বা ভাঙচুর হলে অবশ্যই জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। তবে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া কোনো রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলাও গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিএনপির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলে তা প্রকাশ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কারা চাঁদা চেয়েছে, তাদের নাম ও প্রমাণ সামনে আনা উচিত। বিবৃতিতে তিনি আরও দাবি করেন, মামলার ৯ নম্বর আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার মিজানুর রহমান জামায়াতের কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্যের জামাতা; তবে এই দাবি স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা যায়নি। প্রসঙ্গত, স্টুডিওতে হামলার পর ফেসবুক লাইভে সালমান মুক্তাদির বিএনপিকে ‘চাঁদাবাজ দল’ বলেছিলেন। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ওই বক্তব্যকে ‘ঢালাও অভিযোগ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, সুনির্দিষ্ট মামলা হলে তা তদন্ত করে দেখা হবে। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনাস্থলের জমি নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের তথ্য পাওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে সালমান মুক্তাদিরের কোনো প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।