২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর পুরস্কার নিয়ে আলোচনার মধ্যে বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার জুনিয়র। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইয়ামালের প্রশংসা করে তাঁকে ‘বিশ্বের সেরা’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি।

নেইমার বার্সেলোনা ও প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ে (পিএসজি) লিওনেল মেসির সঙ্গে খেলেছেন। এবার নিজের পছন্দের খেলোয়াড় হিসেবে ইয়ামালের পাশে দাঁড়িয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা।

ইনস্টাগ্রামে ফুটবল পরিসংখ্যানভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম সোফাস্কোরের একটি পোস্ট শেয়ার করেন নেইমার। সেখানে চলতি মৌসুমে ইয়ামালের পারফরম্যান্সের সঙ্গে পিএসজিতে তাঁর নিজের সেরা মৌসুমের পরিসংখ্যানের তুলনা করা হয়। পোস্টটি শেয়ার করে ইয়ামালকে ট্যাগ দিয়ে নেইমার লেখেন, ‘বিশ্বের সেরা।’

প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে ১০ ম্যাচে ইয়ামালের গোল আটটি এবং অ্যাসিস্ট নয়টি। রিয়াল বেটিসের বিপক্ষে বার্সেলোনার ৫-২ গোলের জয়ের ম্যাচেও নজর কেড়েছেন তিনি। ওই ম্যাচে একটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থের গোলেও অবদান রাখেন এই স্প্যানিশ তারকা।

অন্যদিকে, ২০১৭-১৮ মৌসুমে পিএসজির হয়ে নিজের প্রথম মৌসুমে ২৭ ম্যাচে ২৫ গোল ও ১৬টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন নেইমার। সোফাস্কোরের পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে করা তুলনায় দুজনের অসাধারণ পারফরম্যান্স তুলে ধরা হয়েছে। তালিকায় বার্সেলোনার হয়ে মেসির কয়েকটি দুর্দান্ত মৌসুমের পরিসংখ্যানও রয়েছে।

নেইমারের এই প্রশংসা ইয়ামালের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, ছোটবেলা থেকেই নেইমারকে নিজের আদর্শ হিসেবে দেখে আসছেন বার্সেলোনার এই তরুণ ফুটবলার। তাঁর ড্রিবলিং, সৃজনশীলতা ও আক্রমণাত্মক খেলার ধরনেও নেইমারের প্রভাবের কথা প্রায়ই আলোচনায় আসে।

মাত্র ১৯ বছর বয়সেই বার্সেলোনা ও স্পেন জাতীয় দলের হয়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে বিশ্ব ফুটবলে নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন ইয়ামাল। ফলে ব্যালন ডি’অরের দৌড়েও তাঁকে অন্যতম আলোচিত খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। নেইমারের প্রকাশ্য সমর্থন সেই আলোচনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠান আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনের প্যালাডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এবারের আয়োজন ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছেন বিশ্বের শীর্ষ তারকারা।

নিজের আদর্শ খেলোয়াড় নেইমারের কাছ থেকে এমন স্বীকৃতি ইয়ামালের ক্যারিয়ারে উল্লেখযোগ্য ঘটনা। এখন দেখার বিষয়, মাঠের পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে তিনি ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে কতটা এগিয়ে যেতে পারেন।