নাফীজ আহমেদ, ইবি:


ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ‘ডিজিটাল এজেন্ডা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে পর্যটন খাতের পুনর্গঠন’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের আয়োজনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।



বিভাগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম জুয়েলের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুস শাহীদ মিয়া, ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পরিচালক মো. মহিউদ্দিন সেলিম, এনজিও দিশার নির্বাহী পরিচালক মো. রবিউল ইসলাম এবং গোয়িংফ্লাইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর।

citytouch 728-X-90



এ ছাড়া সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকি এবং রহিমাফরোজ বাংলাদেশ লিমিটেডের গ্রুপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়াজ রহিম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অরুণিমা রিসোর্ট গলফ ক্লাবের সিইও ও বাংলাদেশ ইন্টিগ্রেটেড রুরাল বেসড অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক ইরফান আহমেদ।



মূল প্রবন্ধে ইরফান আহমেদ বলেন, পর্যটন খাতের সামগ্রিক রূপান্তর ও টেকসই উন্নয়নে প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার দিন দিন অপরিহার্য হয়ে উঠছে। আধুনিক বিশ্বে শিল্পবিপ্লব থেকে প্রযুক্তিগত বিপ্লবের দিকে অগ্রসর হওয়ার ক্ষেত্রে ডিজিটাল এজেন্ডা ও এআই চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। এআইয়ের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে পর্যটকের গন্তব্য নির্বাচন, তথ্য অনুসন্ধান, ভ্রমণ পরিকল্পনা, সহজ বুকিং, ভাষা রূপান্তর এবং ভ্রমণের অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করা সম্ভব। পাশাপাশি ফিরতি যাত্রাও হতে পারে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময়।



উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস শুধু উদযাপনের দিন নয়; এটি পর্যটন খাতের উন্নয়নে নতুন করে অঙ্গীকার করার দিন। প্রযুক্তি, সৃজনশীলতা ও মানবিকতার সমন্বয়ে একটি আধুনিক, সেবামুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পর্যটনশিল্প গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রযুক্তি যেন কখনো মানুষের বিকল্প হয়ে না ওঠে। বরং মানুষের সেবা, আতিথেয়তা ও মানবিকতাকে আরও কার্যকর করার মাধ্যম হিসেবে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করতে হবে।’