কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সের দান হিসেবে পাওয়া স্বর্ণ, রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব নিরূপণের কাজ শুরু হয়েছে। দীর্ঘ ছয় বছর পর এসব মূল্যবান সামগ্রী শ্রেণিবিন্যাস, ওজন ও গণনার উদ্যোগ নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ কার্যক্রম শুরু হয়।

গণনা কার্যক্রমে দান হিসেবে পাওয়া স্বর্ণ ও রূপার গয়না এবং বিভিন্ন দেশের মুদ্রা আলাদাভাবে সাজানো হচ্ছে। এরপর সেগুলোর ওজন ও পরিমাণ নির্ধারণ করা হচ্ছে, যাতে প্রতিটি সামগ্রীর সঠিক হিসাব পাওয়া যায়।

citytouch 728-X-90

পাগলা মসজিদ দীর্ঘদিন ধরে ধর্মপ্রাণ মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখানে দেশ-বিদেশের অসংখ্য মানুষ অর্থের পাশাপাশি স্বর্ণ, রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রাসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী দান করেন। এসব দান নিয়ে মানুষের মধ্যে বরাবরই আগ্রহ রয়েছে।

দীর্ঘ ছয় বছর পর শুরু হওয়া এই গণনা কার্যক্রমে শেষ পর্যন্ত কত পরিমাণ স্বর্ণ, রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যায়, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। গণনা শেষে বিস্তারিত হিসাব প্রকাশ করা হলে দান করা মূল্যবান সামগ্রীর প্রকৃত পরিমাণ জানা যাবে।