কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও ইসরায়েল থেকে পণ্য আমদানি করছে বাংলাদেশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশটি থেকে প্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার পণ্য আমদানি হয়েছে বলে একটি ব্যবসায়িক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। আমদানিকৃত পণ্যের মধ্যে মাছের তেল অন্যতম।

বাংলাদেশ ব্যাংক আমদানি-সংক্রান্ত দেশ ও পণ্যভিত্তিক তথ্য প্রকাশ করে থাকে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের আমদানি পরিসংখ্যানও তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে রয়েছে।

একই সময়ে আফগানিস্তান থেকে বাংলাদেশে আমদানি হয়েছে প্রায় ৩৪০ কোটি টাকার পণ্য, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২৮৩ গুণ বেশি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব পণ্যের মধ্যে এলাচ, জিরা, শুকনো মরিচ ও কিশমিশ রয়েছে।

citytouch 728-X-90

এদিকে ইরান ও পাকিস্তান থেকেও আমদানি হয়েছে পণ্য। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইরান থেকে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং পাকিস্তান থেকে প্রায় ১০ কোটি ৮০ লাখ ৫ হাজার টাকার পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যেও দেখা যায়, ওই অর্থবছরে ইরান থেকে আমদানির পরিমাণ প্রায় ৫ লাখ মার্কিন ডলার ছিল।

ব্যবসায়ী ও বিশ্লেষকদের মতে, ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সরবরাহব্যবস্থার পরিবর্তনের মধ্যে আমদানির উৎসে বৈচিত্র্য আনার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। ভারতের সঙ্গে সরাসরি কিছু বাণিজ্য কমলেও বিকল্প উৎস থেকে পণ্য সংগ্রহের সুযোগ বাড়ছে।

তবে বাণিজ্য বিশ্লেষকদের পরামর্শ, নতুন বাজার ও সরবরাহের উৎস কাজে লাগাতে আমদানির নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়া আরও সহজ ও কার্যকর করতে সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন। এতে ব্যবসায়ীরা তুলনামূলকভাবে দ্রুত বিকল্প উৎস থেকে প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।