বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির মোট ১৫৯ জন শিক্ষার্থী আইন পেশায় প্রবেশের যোগ্যতা অর্জন করেছেন। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এ সাফল্য আনন্দের সৃষ্টি করেছে।
বার কাউন্সিলের প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, সারা দেশ থেকে এবার ৮ হাজার ৫৯৯ জন প্রার্থী ভাইভা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। গত বছরের নভেম্বর এবং চলতি বছরের মার্চে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার ভিত্তিতে এই ফল প্রকাশ করা হয়।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের চারটি ব্যাচ থেকে মোট ৮০ জন শিক্ষার্থী আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন। এ অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করে বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে এত শিক্ষার্থীর সাফল্য বিভাগটির অগ্রগতিরই প্রতিফলন। তিনি ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফলের প্রত্যাশা করেন।
অন্যদিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চারটি ব্যাচ থেকে ৭২ জন শিক্ষার্থী এবার অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন। আইনজীবী হিসেবে যারা তালিকাভুক্ত হয়েছেন তারা হলো–
নতুন বিভাগ হিসেবে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন বলে মনে করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বিভাগীয় প্রধান সাদিয়া তাবাসসুম বলেন, প্রতিবছরই তাদের শিক্ষার্থীরা আইন পেশায় প্রবেশ করছে, যা বিভাগের সুনাম বাড়াচ্ছে।
এদিকে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির মেরিটাইম ল’ বিভাগের প্রথম ব্যাচের ৭ জন শিক্ষার্থীও এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। নতুন বিভাগ হিসেবে এটিকে একটি মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। অ্যাডভোকেটশিপ অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা হলেন- আনিকা আশরাফ প্রতীতি, রাফি উল ওসমান, ফাহাদ আহমেদ, তাজওয়ার বিন মালেক অর্ণব, মোঃ ইরফানুল খলিলুল্লাহ, সুমাইয়া তামান্না এবং ইশতিয়াক আহমেদ দিহান।
ছবি : সংগৃহীত
এদিকে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির মেরিটাইম ল’ বিভাগের প্রথম ব্যাচের ৭ জন শিক্ষার্থীও এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। নতুন বিভাগ হিসেবে এটিকে একটি মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। অ্যাডভোকেটশিপ অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা হলেন- আনিকা আশরাফ প্রতীতি, রাফি উল ওসমান, ফাহাদ আহমেদ, তাজওয়ার বিন মালেক অর্ণব, মোঃ ইরফানুল খলিলুল্লাহ, সুমাইয়া তামান্না এবং ইশতিয়াক আহমেদ দিহান।
বার কাউন্সিলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উত্তীর্ণ প্রার্থীরা দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের অধীনে আইন পেশা পরিচালনার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। তবে পেশায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করতে হলে ছয় মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ গ্রহণ করতে হবে।
নতুন আইনজীবীরা এই অর্জনকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে গ্রহণ করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।










