শনিবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আয়ারল্যান্ড সফররত ট্রাম্প বলেন, খুব শিগগিরই ইরানের সঙ্গে চলমান পরিস্থিতির সমাধান হতে পারে। তার ধারণা, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই এ বিষয়ে অগ্রগতি দেখা যাবে।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয় খুব শিগগিরই এমনটা হবে। সম্ভবত মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক পরেই। নির্বাচনকে জটিল করে তোলার জন্য তারা যতটা সম্ভব সময়ক্ষেপণ করার চেষ্টা করছে। তবে আমার বিশ্বাস, জনগণ বিষয়টি বুঝতে পারছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আর যখন তা ঘটবে, তখন তেলের দাম হুড়মুড় করে কমে যাবে।’
এদিকে সৌদি আরবকে ঘিরে নতুন উদ্বেগ এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, পরিস্থিতি ‘বেশ ভালোভাবেই মিটে যাবে’।
এর আগে শুক্রবার ইয়েমেনের বাব আল-মান্দেব প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ একটি দ্বীপ হুথি বিদ্রোহীরা দখল করেছে বলে জানা যায়। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে তেল পরিবহন ও রপ্তানি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্প দাবি করেন, ইয়েমেনের ইরানঘনিষ্ঠ হুথি বিদ্রোহীরা তার প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি সংঘাতে জড়াতে চায় না বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে বলে জানান তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তারা চায় না আমরা এতে জড়িত হই এবং তারা অধিকাংশ জাহাজকেই চলাচল করতে দিচ্ছে। কেবল একটি দেশের ওপর তারা খুব একটা সন্তুষ্ট নয়, তবে আমরা সেই বিষয়টিও সুরাহা করে ফেলব।’
ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের মধ্যেই হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব—দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল ও বৈশ্বিক তেল সরবরাহ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।








