অভিযোগ অনুযায়ী, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণের উদ্দেশ্যে ব্যক্তির তথ্য প্রবেশ করানো হলেও এ ধরনের অনিয়মের সুযোগ কীভাবে তৈরি হলো, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপনায় পর্যাপ্ত যাচাই-বাছাই ও নজরদারি ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের তথ্য জাতীয়ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই তথ্যভান্ডারে ভুয়া বা ভুল তথ্য সংযোজনকে শুধু প্রশাসনিক অনিয়ম হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে নাগরিকের পরিচয় যাচাই, সরকারি সেবা প্রদান এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় তথ্য ব্যবস্থাপনায় জটিলতা তৈরি হতে পারে।
তাদের মতে, জাতীয় তথ্যভান্ডারের তথ্যের নির্ভুলতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় কঠোর যাচাই-বাছাই এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আবুল বাছেরের বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া এখন সামনে এগোবে।








