অস্ট্রেলিয়ায় নৌপথে আসা ৩০ হাজারের বেশি আশ্রয়প্রার্থীকে স্থায়ী ভিসা দিয়েছে দেশটির সরকার। ‘রেজল্যুশন অব স্ট্যাটাস’ ভিসা কর্মসূচির আওতায় এই ভিসা দেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন অভিবাসনমন্ত্রী অ্যান্ড্রু জাইলস এই ভিসা কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন। এই ভিসা পথটি ২০০৯ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে নৌকায় করে অস্ট্রেলিয়ায় আসা ব্যক্তিদের জন্য। কর্মসূচি ঘোষণার সময় সরকার প্রাথমিকভাবে প্রায় ১৯ হাজার যোগ্য আবেদনকারীর কথা বলেছিল। তবে বর্তমানে মঞ্জুরির সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এদের বেশিরভাগই আগে টেম্পোরারি প্রোটেকশন ভিসা ও সেফ হ্যাভেন এন্টারপ্রাইজ ভিসায় বসবাস করছিলেন। ২০২৬ অর্থবছরে এই ভিসা মঞ্জুরির হার ২২ শতাংশ বেড়েছে। গড়ে প্রতি কর্মদিবসে প্রায় ৩০টি ভিসা মঞ্জুর করা হচ্ছে। ভিসাপ্রাপ্তদের মধ্যে সবচেয়ে বড় দল ইরানের (৬ হাজার ৫১৩ জন) ও আফগানিস্তানের (৪ হাজার ৫৭৩ জন)। এই ভিসা দুই বছর পর নাগরিকত্বের আবেদনের সুযোগ দেয়; ফলে প্রায় ১৭ হাজার ভিসাপ্রাপ্ত ইতিমধ্যে নাগরিকত্ব পেয়েছেন বা পাওয়ার যোগ্য হয়েছেন। তবে এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে বিরোধী দল। বিরোধী অভিবাসন মুখপাত্র জনো ডুনিয়াম বলেন, এই সিদ্ধান্ত অপারেশন সভারেন বর্ডারসের মূল নীতি—নৌপথে অবৈধভাবে এলে কখনোই স্থায়ীভাবে বসবাস করা যাবে না—তা দুর্বল করেছে। শ্যাডো প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস প্যাটারসন একে ‘অত্যন্ত বেপরোয়া’ বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, এতে মানবপাচারকারীদের কাছে ভুল বার্তা যাবে।