জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে যেন কেউ জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে, সে জন্য ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ আর পথ হারাবে না।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

৭ নভেম্বরকে শত্রু-মিত্র চেনার দিন বললেন প্রধানমন্ত্রী

তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ছিল শত্রু-মিত্র চেনার দিন। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতা যেভাবে দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় ভূমিকা রেখেছে, একইভাবে ১৯৭৫ সালে সিপাহি-জনতাও দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভূমিকা রেখেছিল।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২০২৪ সালের আন্দোলন ছিল স্বাধীনতা রক্ষার। ৭ নভেম্বরের নায়ক ছিলেন দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতা।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেভাবে ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, একইভাবে মুক্তিযুদ্ধের সময়ও রণাঙ্গনে দেশের পক্ষে লড়াই করেছিলেন।

তারেক রহমানের ভাষ্য, যারা বাংলাদেশকে অন্যের ওপর নির্ভরশীল রাষ্ট্রে পরিণত করতে এবং সশস্ত্র বাহিনীর গৌরব নষ্ট করতে চেয়েছিল, সিপাহি-জনতা তাদের ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। তবে সেই ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। পরবর্তী সময়ে পিলখানায় সেনা হত্যাকাণ্ড ও ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার ঘটনা ঘটেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও বিশেষ প্রদর্শনী উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান।