জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে আগের কমিটির চার আলেমের মধ্যে দুজনকে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ মাহদি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘আলেমরা সবসময় মাইনাসের শিকার’ শিরোনামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
আগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে আশরাফ মাহদি ছাড়াও মাওলানা সানাউল্লাহ খান, মাওলানা রফিকুল ইসলাম আইনী ও মাওলানা ইনজিমামুল ইসলাম ছিলেন। তাঁদের মধ্যে আশরাফ মাহদি কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক, সানাউল্লাহ খান কেন্দ্রীয় সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল), রফিকুল ইসলাম আইনী কেন্দ্রীয় সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) ও ময়মনসিংহ বিভাগের অঞ্চল তত্ত্বাবধায়ক এবং ইনজিমামুল ইসলাম কেন্দ্রীয় সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পুনর্গঠিত কমিটিতেও কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক পদে বহাল রয়েছেন আশরাফ মাহদি। মাওলানা সানাউল্লাহ খানকে ধর্মবিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে। তবে আগের কমিটিতে থাকা রফিকুল ইসলাম আইনী ও ইনজিমামুল ইসলাম নতুন কমিটিতে স্থান পাননি।
ফেসবুক পোস্টে আশরাফ মাহদি লেখেন, “সংখ্যাটা চার থেকে দুইয়ে নেমে এসেছে। দুইজন মাইনাসের কারণ জানা নাই। আর যে দুইজনকে রাখা হল তাদেরও নামকাওয়াস্তে।”
আন্দোলনে আলেমদের ভূমিকা এবং সংগঠন গড়ে ওঠার পর তাঁদের অবস্থান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি লেখেন, টুপি পরা ও ধর্মীয় পোশাকধারী ব্যক্তিদের আন্দোলনে রক্ত দেওয়ার জন্য প্রয়োজন হলেও সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর তাঁদের গুরুত্ব কমে যায়।
ধর্মীয় বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে আপত্তির প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আশরাফ মাহদি। তিনি দাবি করেন, তাঁরা মধ্যপন্থি হলেও ধর্মীয় ইস্যুতে তাঁদের বক্তব্য নিয়ে ব্যাপক আপত্তি রয়েছে।
রাষ্ট্র পরিচালনা ও আইন প্রণয়নে ধর্মের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও লেখেন, রাষ্ট্র ও আইনের ক্ষেত্রে ধর্মের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আপত্তি তোলা হয়। রাষ্ট্র গঠন ও এ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অন্যদের প্রাধান্য দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।









