নোয়াখালীর সেনবাগে নতুন একটি গ্যাসকূপের সন্ধান পাওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কূপটি থেকে প্রতিদিন ৬০ থেকে ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হতে পারে।

বুধবার সকালে সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক গ্যাসের উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


citytouch 728-X-90

তিনি জানান, বর্তমানে কূপটিতে ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসটি) চলছে। আগামী দুই থেকে তিন দিন এ পরীক্ষা চলবে। পরীক্ষা শেষে কূপটিতে মোট কী পরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে এবং উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ কত, সে বিষয়ে আরও নির্দিষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

প্রকল্প পরিচালক বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কূপটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে। তবে চূড়ান্ত উৎপাদন সক্ষমতা ডিএসটি পরীক্ষার ফলাফলের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।


বাপেক্সের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ জুলাই সুন্দলপুর-৪ কূপের খননকাজ শুরু হয়। ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতিতে এমডব্লিউডি প্রযুক্তি ব্যবহার করে কূপটি এক হাজার ৫৭৮ মিটার গভীর পর্যন্ত খনন করা হয়েছে।

খননকাজের সময় এক হাজার ৪২০ থেকে এক হাজার ৪৬০ মিটার গভীরতার স্তরে গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। এরপর গ্যাসের মজুত ও উত্তোলনযোগ্যতার বিষয়ে নিশ্চিত হতে পরীক্ষা শুরু করা হয়েছে।


এর আগে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর এলাকায় একই গ্যাসক্ষেত্রের অধীনে সুন্দলপুর-১, সুন্দলপুর-২ ও সুন্দলপুর-৩ নম্বর কূপ খনন করা হয়েছিল।

নতুন কূপটি সেনবাগে অবস্থিত হলেও একই ভূগর্ভস্থ গ্যাসক্ষেত্র কাঠামোর অংশ হওয়ায় এর নাম সুন্দলপুর-৪ রাখা হয়েছে। ডিএসটি পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পর কূপটির প্রকৃত উৎপাদন সক্ষমতা ও গ্যাসের মজুত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।